আন্তঃজেলা সাইকো সিরিয়াল অপরাধী ও কিলার গোলাম মোর্শেদ ওরফে মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক কনফারেন্সে গতকাল নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপারকে এ বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মে ও জুন মাসে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট, বদলগাছী ও পত্নীতলা থানা এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে নারীদের ওপর হামলা চালায়। এসব ঘটনায় অন্তত পাঁচটি হামলার ঘটনায় ৮ থেকে ৯ জন নারী বাঁশ ও ধাতব অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। এ সময় একজন নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। হামলার পর ওই অপরাধী ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যেত।
একই ধরনের অপরাধ দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলাতেও সংঘটিত হওয়ার তথ্য পায় পুলিশ। সেসব ঘটনায়ও কয়েকজন নারী গুরুতর আহত হন এবং দুই নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। ফলে ঘটনাগুলো আন্তঃজেলা অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে ধারণা করে পুলিশ।
অজ্ঞাতপরিচয় ওই অপরাধীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধান, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সহায়তায় অপরাধীর গতিবিধি ও পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে গত ১১ জুন ২০২৬ তারিখে গাজীপুর এলাকা থেকে আন্তঃজেলা সাইকো সিরিয়াল অপরাধী ও কিলার গোলাম মোর্শেদ ওরফে মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করে নওগাঁ জেলা পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। পরে আদালতেও সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
গোলাম মোর্শেদকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় নওগাঁসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত নারী নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়। এ ঘটনায় নওগাঁ জেলা পুলিশের তদন্ত ও অপরাধী গ্রেপ্তারের সক্ষমতাও প্রশংসিত হয়েছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের স্বীকৃতি এবং আইজিপির দেওয়া বিশেষ পুরস্কার নওগাঁ জেলা পুলিশের সদস্যদের মনোবল আরও বাড়িয়েছে। নওগাঁ জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, সড়ক ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ এবং আন্তঃজেলা অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
আন্তঃজেলা সাইকো সিরিয়াল অপরাধী ও কিলার গোলাম মোর্শেদ ওরফে মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক কনফারেন্সে গতকাল নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপারকে এ বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মে ও জুন মাসে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট, বদলগাছী ও পত্নীতলা থানা এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে নারীদের ওপর হামলা চালায়। এসব ঘটনায় অন্তত পাঁচটি হামলার ঘটনায় ৮ থেকে ৯ জন নারী বাঁশ ও ধাতব অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। এ সময় একজন নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। হামলার পর ওই অপরাধী ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যেত।
একই ধরনের অপরাধ দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলাতেও সংঘটিত হওয়ার তথ্য পায় পুলিশ। সেসব ঘটনায়ও কয়েকজন নারী গুরুতর আহত হন এবং দুই নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। ফলে ঘটনাগুলো আন্তঃজেলা অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে ধারণা করে পুলিশ।
অজ্ঞাতপরিচয় ওই অপরাধীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধান, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সহায়তায় অপরাধীর গতিবিধি ও পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে গত ১১ জুন ২০২৬ তারিখে গাজীপুর এলাকা থেকে আন্তঃজেলা সাইকো সিরিয়াল অপরাধী ও কিলার গোলাম মোর্শেদ ওরফে মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করে নওগাঁ জেলা পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। পরে আদালতেও সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
গোলাম মোর্শেদকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় নওগাঁসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত নারী নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়। এ ঘটনায় নওগাঁ জেলা পুলিশের তদন্ত ও অপরাধী গ্রেপ্তারের সক্ষমতাও প্রশংসিত হয়েছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের স্বীকৃতি এবং আইজিপির দেওয়া বিশেষ পুরস্কার নওগাঁ জেলা পুলিশের সদস্যদের মনোবল আরও বাড়িয়েছে। নওগাঁ জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, সড়ক ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ এবং আন্তঃজেলা অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন