নতুন গঠিত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ অন্তর্ভুক্ত করে দেশের ১১টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ-সংক্রান্ত নতুন গেজেট রোববার (৩০ আগস্ট) প্রকাশ করা হয়েছে। গেজেটে স্বাক্ষর করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
পুনর্নির্ধারণ করা আসনগুলো হলো—ঠাকুরগাঁও-১, বগুড়া-২, পিরোজপুর-১, ময়মনসিংহ-১০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪, কুমিল্লা-৩, লক্ষ্মীপুর-২ ও লক্ষ্মীপুর-৩, চট্টগ্রাম-২ এবং কক্সবাজার-১।
ইসি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের পর প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সংসদীয় আসনের সীমানার সামঞ্জস্য আনতেই মূলত এই সংশোধন করা হয়েছে। ফলে কাগজে-কলমে আসনের বিবরণ পরিবর্তিত হলেও সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর বাস্তব ভৌগোলিক সীমানায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হচ্ছে না।
নতুন গেজেটের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনও। আগে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনের বিবরণে এখন নবগঠিত রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ভেঙে নতুন এ দুটি উপজেলা গঠন করা হয়েছে।
একইভাবে বগুড়া-২ আসনের সীমানার বিবরণে শিবগঞ্জের পাশাপাশি নবগঠিত মোকামতলা উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আসনেও নতুন প্রশাসনিক ইউনিট যুক্ত হওয়ার কারণে গেজেটে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে।
ইসি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন উপজেলা ও ইউনিয়ন গঠনের পর সেগুলোর নাম বিদ্যমান সংসদীয় আসনের আনুষ্ঠানিক বিবরণে যুক্ত করাই এই পুনর্নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য। অর্থাৎ নতুন করে কোনো সংসদীয় আসন সৃষ্টি বা ৩০০ আসনের সংখ্যা পরিবর্তন করা হয়নি; প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে বিদ্যমান নির্বাচনি এলাকার বিবরণ সামঞ্জস্য করা হয়েছে।
নতুন গেজেট অনুযায়ী পরবর্তী নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি কার্যক্রমে এই ১১টি আসনের সংশোধিত সীমানা ও প্রশাসনিক এলাকার বিবরণ অনুসরণ করবে নির্বাচন কমিশন।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
নতুন গঠিত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ অন্তর্ভুক্ত করে দেশের ১১টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ-সংক্রান্ত নতুন গেজেট রোববার (৩০ আগস্ট) প্রকাশ করা হয়েছে। গেজেটে স্বাক্ষর করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
পুনর্নির্ধারণ করা আসনগুলো হলো—ঠাকুরগাঁও-১, বগুড়া-২, পিরোজপুর-১, ময়মনসিংহ-১০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪, কুমিল্লা-৩, লক্ষ্মীপুর-২ ও লক্ষ্মীপুর-৩, চট্টগ্রাম-২ এবং কক্সবাজার-১।
ইসি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের পর প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সংসদীয় আসনের সীমানার সামঞ্জস্য আনতেই মূলত এই সংশোধন করা হয়েছে। ফলে কাগজে-কলমে আসনের বিবরণ পরিবর্তিত হলেও সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর বাস্তব ভৌগোলিক সীমানায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হচ্ছে না।
নতুন গেজেটের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনও। আগে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনের বিবরণে এখন নবগঠিত রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ভেঙে নতুন এ দুটি উপজেলা গঠন করা হয়েছে।
একইভাবে বগুড়া-২ আসনের সীমানার বিবরণে শিবগঞ্জের পাশাপাশি নবগঠিত মোকামতলা উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আসনেও নতুন প্রশাসনিক ইউনিট যুক্ত হওয়ার কারণে গেজেটে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে।
ইসি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন উপজেলা ও ইউনিয়ন গঠনের পর সেগুলোর নাম বিদ্যমান সংসদীয় আসনের আনুষ্ঠানিক বিবরণে যুক্ত করাই এই পুনর্নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য। অর্থাৎ নতুন করে কোনো সংসদীয় আসন সৃষ্টি বা ৩০০ আসনের সংখ্যা পরিবর্তন করা হয়নি; প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে বিদ্যমান নির্বাচনি এলাকার বিবরণ সামঞ্জস্য করা হয়েছে।
নতুন গেজেট অনুযায়ী পরবর্তী নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি কার্যক্রমে এই ১১টি আসনের সংশোধিত সীমানা ও প্রশাসনিক এলাকার বিবরণ অনুসরণ করবে নির্বাচন কমিশন।

আপনার মতামত লিখুন