শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-রিকশা নিয়ে বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে। সরকার বিষয়টিকে একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনতে চায়। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, নতুন ব্যবস্থায় ই-রিকশার নিবন্ধন, নবায়ন, ফিটনেস এবং কোন সড়কে এসব যান চলতে পারবে—এসব বিষয় নির্ধারণ করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা ই-রিকশার নিবন্ধন দেবে। নিবন্ধনের আগে বুয়েট অথবা জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখা থেকে ফিটনেস সনদ নেওয়ার বিধান রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর ট্রাফিক পুলিশের প্রতিস্বাক্ষরসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে হবে।
রাজধানীতে ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে মোট আটটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রতিটি জোনে আলাদা রঙের ই-রিকশা চলবে এবং এক জোনের যান অন্য জোনে প্রবেশ ঠেকাতে জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা জানিয়েছে সরকার। কোন সড়কে ই-রিকশা চলবে এবং কোন সড়কে চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে, সেটিও বিধিমালায় নির্ধারণ করা হবে।
ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জের ক্ষেত্রেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের শর্ত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য উৎস থেকে চার্জ দিলে জরিমানা, নিবন্ধন না দেওয়া কিংবা নবায়ন না করার বিধান রাখার কথাও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
এদিকে একই দিনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন মীর শাহে আলম। তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করা হবে না। নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ও পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশন জানাবে। নির্বাচন পরিচালনায় প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থাও সরকার করবে বলে জানান তিনি।
ই-রিকশা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রতিমন্ত্রীর নতুন বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী আট থেকে ১০ দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হতে পারে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-রিকশা নিয়ে বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে। সরকার বিষয়টিকে একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনতে চায়। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, নতুন ব্যবস্থায় ই-রিকশার নিবন্ধন, নবায়ন, ফিটনেস এবং কোন সড়কে এসব যান চলতে পারবে—এসব বিষয় নির্ধারণ করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা ই-রিকশার নিবন্ধন দেবে। নিবন্ধনের আগে বুয়েট অথবা জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখা থেকে ফিটনেস সনদ নেওয়ার বিধান রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর ট্রাফিক পুলিশের প্রতিস্বাক্ষরসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে হবে।
রাজধানীতে ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে মোট আটটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রতিটি জোনে আলাদা রঙের ই-রিকশা চলবে এবং এক জোনের যান অন্য জোনে প্রবেশ ঠেকাতে জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা জানিয়েছে সরকার। কোন সড়কে ই-রিকশা চলবে এবং কোন সড়কে চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে, সেটিও বিধিমালায় নির্ধারণ করা হবে।
ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জের ক্ষেত্রেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের শর্ত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য উৎস থেকে চার্জ দিলে জরিমানা, নিবন্ধন না দেওয়া কিংবা নবায়ন না করার বিধান রাখার কথাও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
এদিকে একই দিনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন মীর শাহে আলম। তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করা হবে না। নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ও পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশন জানাবে। নির্বাচন পরিচালনায় প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থাও সরকার করবে বলে জানান তিনি।
ই-রিকশা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রতিমন্ত্রীর নতুন বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী আট থেকে ১০ দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন