চট্টগ্রাম ১১ রবিউল আউয়াল থেকে ১৪ রবিউল আউয়াল (২৫ থেকে ২৮ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.) পর্যন্ত ওষখাইনীরি নূরীয়া বিষু দরবার শরীফে আশেকানে পাক পঞ্জেতন রজা নূরীয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের আয়োজনে ৪ দিনব্যাপী যিকরে মিলাদুন্নাবী (সা.) সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেমিনারের বিভিন্ন অধিবেশনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন, আদর্শ ও শিক্ষা এবং মিলাদুন্নাবী (সা.) এর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রতিদিনের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ওষখাইনীরি নূরীয়া বিষু দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন মাওলানা মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন নূরী আল কুরাইশী (মা.জি.আ.)।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা কুরাইশী (মা.জি.আ.) বলেন, হুযুর পাক (সা.) নিজেই রোজা রেখে নিজের মিলাদ পালন করেছেন। শরীয়তের হুকুম অনুসরণ করে হুযুর পাক (সা.) এর অনুকরণে রোজা রেখে মিলাদুন্নাবী (সা.) পালন করলে এ নিয়ে বিরোধিতার কোনো অবকাশ থাকে না। এ কারণে মিলাদুন্নাবী (সা.) পালনের ক্ষেত্রে রোজা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীর ছাদেকুর রহমান হাশেমী, ড. কামাল উদ্দীর আযহারী, ড. হাফেজ নুর হোসাইন, ড. নুরুন্নাবী আযহারী, মাওলানা মুহাম্মদ শাহ আবু তাহমিদ আযহারী, পীর আরিফুর রহমান, আল্লামা হাসান রেজা, হাসান মুহাম্মদ কফিলুদ্দীন, মাওলানা আবু ছালেহ, পীরজাদা তকিউদ্দিন আহমদ, মোজাম্মেল আযহারী, জাহেদ আযহারী, সরওয়ার আলম রেজভী, শাহাদাত হোসাইন, মিশকাতুল ইসলাম, হাফেজ আরিফ, মনছুর নূরী ও আব্দুর রহমান নূরী এবং হাসনাত শোয়েব সহ অন্যান্য আলেম ও ধর্মীয় ব্যক্তিরা।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, মিলাদুন্নাবী (সা.) পালনের বিষয়ে যত বেশি বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, ততই মানুষের মধ্যে এ আয়োজনের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। তাঁরা মহানবী (সা.) এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারের বিভিন্ন পর্বে কুরআন তেলোয়াত, নাতে রাসূল (সা.), খতমে খাজেগান, ধর্মীয় আলোচনা, দোয়া-মোনাজাতসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দরবার শরীফের আশেকান, ভক্ত-মুরিদ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।
২৮ আগস্ট সমাপনী দিনে উপস্থিত আশেকান, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রতেকদিনের ধারাবাহিকতায় উন্মুক্ত নেয়াজ বিতরণ ও বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচির মধ্য দিয়ে চার দিনব্যাপী যিকরে মিলাদুন্নাবী (সা.) সেমিনারের সমাপ্তি ঘটে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রাম ১১ রবিউল আউয়াল থেকে ১৪ রবিউল আউয়াল (২৫ থেকে ২৮ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.) পর্যন্ত ওষখাইনীরি নূরীয়া বিষু দরবার শরীফে আশেকানে পাক পঞ্জেতন রজা নূরীয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের আয়োজনে ৪ দিনব্যাপী যিকরে মিলাদুন্নাবী (সা.) সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেমিনারের বিভিন্ন অধিবেশনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন, আদর্শ ও শিক্ষা এবং মিলাদুন্নাবী (সা.) এর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রতিদিনের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ওষখাইনীরি নূরীয়া বিষু দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন মাওলানা মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন নূরী আল কুরাইশী (মা.জি.আ.)।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা কুরাইশী (মা.জি.আ.) বলেন, হুযুর পাক (সা.) নিজেই রোজা রেখে নিজের মিলাদ পালন করেছেন। শরীয়তের হুকুম অনুসরণ করে হুযুর পাক (সা.) এর অনুকরণে রোজা রেখে মিলাদুন্নাবী (সা.) পালন করলে এ নিয়ে বিরোধিতার কোনো অবকাশ থাকে না। এ কারণে মিলাদুন্নাবী (সা.) পালনের ক্ষেত্রে রোজা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীর ছাদেকুর রহমান হাশেমী, ড. কামাল উদ্দীর আযহারী, ড. হাফেজ নুর হোসাইন, ড. নুরুন্নাবী আযহারী, মাওলানা মুহাম্মদ শাহ আবু তাহমিদ আযহারী, পীর আরিফুর রহমান, আল্লামা হাসান রেজা, হাসান মুহাম্মদ কফিলুদ্দীন, মাওলানা আবু ছালেহ, পীরজাদা তকিউদ্দিন আহমদ, মোজাম্মেল আযহারী, জাহেদ আযহারী, সরওয়ার আলম রেজভী, শাহাদাত হোসাইন, মিশকাতুল ইসলাম, হাফেজ আরিফ, মনছুর নূরী ও আব্দুর রহমান নূরী এবং হাসনাত শোয়েব সহ অন্যান্য আলেম ও ধর্মীয় ব্যক্তিরা।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, মিলাদুন্নাবী (সা.) পালনের বিষয়ে যত বেশি বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, ততই মানুষের মধ্যে এ আয়োজনের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। তাঁরা মহানবী (সা.) এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারের বিভিন্ন পর্বে কুরআন তেলোয়াত, নাতে রাসূল (সা.), খতমে খাজেগান, ধর্মীয় আলোচনা, দোয়া-মোনাজাতসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দরবার শরীফের আশেকান, ভক্ত-মুরিদ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।
২৮ আগস্ট সমাপনী দিনে উপস্থিত আশেকান, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রতেকদিনের ধারাবাহিকতায় উন্মুক্ত নেয়াজ বিতরণ ও বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচির মধ্য দিয়ে চার দিনব্যাপী যিকরে মিলাদুন্নাবী (সা.) সেমিনারের সমাপ্তি ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন