নয়াদিল্লির পর এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন অভিমুখে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন ও সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দুপুরে ‘বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’ এই ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হন এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের শত শত কর্মী বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করলে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনী আগেই উপ-হাইকমিশন চত্বর ও এর আশপাশে কয়েক স্তরের লোহার ব্যারিকেড দিয়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছিল। তবে উত্তেজিত বিক্ষোভকারীরা পুলিশের একাধিক ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রচণ্ড ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা তৃতীয় ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার উপক্রম করলে পুলিশ কঠোর অবস্থান নেয় এবং লাঠিচার্জ শুরু করে।
পুলিশের লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী রক্তাক্ত ও আহত হন, যাদের দ্রুত স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলার চেষ্টা করলে অন্য বিক্ষোভকারীরা ভ্যানের সামনে শুয়ে পড়ে বাধা সৃষ্টি করেন। এ সময় এলাকায় দীর্ঘক্ষণ থমথমে পরিস্থিতি ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। উল্লেখ্য, এদিন কেবল হিন্দুত্ববাদী সংগঠনই নয়, সিপিআইএমসহ বিভিন্ন বামপন্থি সংগঠন এবং সাধারণ নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকেও পৃথক মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
এর আগে গত ২০ ডিসেম্বরও কলকাতার ‘বাংলাপক্ষ’ নামক একটি সংগঠন বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল। বারবার এ ধরনের কর্মসূচির ফলে কলকাতায় বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া সতর্কতা সত্ত্বেও দফায় দফায় বিক্ষোভ ও উপ-হাইকমিশন অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
নয়াদিল্লির পর এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন অভিমুখে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন ও সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দুপুরে ‘বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’ এই ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হন এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের শত শত কর্মী বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করলে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনী আগেই উপ-হাইকমিশন চত্বর ও এর আশপাশে কয়েক স্তরের লোহার ব্যারিকেড দিয়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছিল। তবে উত্তেজিত বিক্ষোভকারীরা পুলিশের একাধিক ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রচণ্ড ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা তৃতীয় ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার উপক্রম করলে পুলিশ কঠোর অবস্থান নেয় এবং লাঠিচার্জ শুরু করে।
পুলিশের লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী রক্তাক্ত ও আহত হন, যাদের দ্রুত স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলার চেষ্টা করলে অন্য বিক্ষোভকারীরা ভ্যানের সামনে শুয়ে পড়ে বাধা সৃষ্টি করেন। এ সময় এলাকায় দীর্ঘক্ষণ থমথমে পরিস্থিতি ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। উল্লেখ্য, এদিন কেবল হিন্দুত্ববাদী সংগঠনই নয়, সিপিআইএমসহ বিভিন্ন বামপন্থি সংগঠন এবং সাধারণ নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকেও পৃথক মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
এর আগে গত ২০ ডিসেম্বরও কলকাতার ‘বাংলাপক্ষ’ নামক একটি সংগঠন বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল। বারবার এ ধরনের কর্মসূচির ফলে কলকাতায় বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া সতর্কতা সত্ত্বেও দফায় দফায় বিক্ষোভ ও উপ-হাইকমিশন অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন