বান্দরবানের রুমা উপজেলায় খ্রিষ্টীয় বড়দিন উপলক্ষে গির্জাগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি খাদ্যশস্য বিতরণে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী ‘সিন্ডিকেট’ ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে উপকারভোগীদের প্রাপ্য চাল কৌশলে আত্মসাৎ করছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি গির্জার অনুকূলে ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হলেও সাধারণ মানুষ সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রুমা সরকারি খাদ্য গুদামে পর্যাপ্ত চাল নেই—এমন মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে উপকারভোগীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এই সুযোগে একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র উপকারভোগীদের কাছ থেকে প্রতি কেজি চাল মাত্র ৩৬ টাকা দরে ‘ডিডিও কপি’ (ডিও) ক্রয় করে নিচ্ছে, যেখানে বর্তমানে বাজারে চালের প্রকৃত মূল্য প্রায় ৪২ টাকা। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এই চাল সরাসরি খাদ্য গুদাম থেকে উপকারভোগীদের সংগ্রহ করার কথা। অভিযোগ উঠেছে যে, রুমা উপজেলায় খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী কোনো বৈধ ডিও ব্যবসায়ী না থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ডিও কপিগুলো সংগ্রহ করে সরকারি বরাদ্দ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, এই অসাধু চক্রটি রুমা সরকারি গুদাম থেকে চাল উত্তোলন না করে জেলা খাদ্য গুদাম থেকে সরাসরি উত্তোলন করার পাঁয়তারা করছে, যাতে স্থানীয়ভাবে কোনো জানাজানি না হয়। সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার হরণ করে সরকারের এই জনকল্যাণমূলক সহায়তা একটি নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের পকেটে চলে যাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী ও উপকারভোগীদের প্রধান তিন দাবি :
১. বরাদ্দকৃত চাল অবিলম্বে রুমা সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরাসরি উপকারভোগীদের মাঝে স্বচ্ছভাবে বিতরণ করতে হবে। ২. এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এবং মদদদাতা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। ৩. ভবিষ্যতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় উৎসবে বরাদ্দকৃত সহায়তার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে রুমা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় খ্রিষ্টীয় বড়দিন উপলক্ষে গির্জাগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি খাদ্যশস্য বিতরণে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী ‘সিন্ডিকেট’ ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে উপকারভোগীদের প্রাপ্য চাল কৌশলে আত্মসাৎ করছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি গির্জার অনুকূলে ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হলেও সাধারণ মানুষ সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রুমা সরকারি খাদ্য গুদামে পর্যাপ্ত চাল নেই—এমন মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে উপকারভোগীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এই সুযোগে একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র উপকারভোগীদের কাছ থেকে প্রতি কেজি চাল মাত্র ৩৬ টাকা দরে ‘ডিডিও কপি’ (ডিও) ক্রয় করে নিচ্ছে, যেখানে বর্তমানে বাজারে চালের প্রকৃত মূল্য প্রায় ৪২ টাকা। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এই চাল সরাসরি খাদ্য গুদাম থেকে উপকারভোগীদের সংগ্রহ করার কথা। অভিযোগ উঠেছে যে, রুমা উপজেলায় খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী কোনো বৈধ ডিও ব্যবসায়ী না থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ডিও কপিগুলো সংগ্রহ করে সরকারি বরাদ্দ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, এই অসাধু চক্রটি রুমা সরকারি গুদাম থেকে চাল উত্তোলন না করে জেলা খাদ্য গুদাম থেকে সরাসরি উত্তোলন করার পাঁয়তারা করছে, যাতে স্থানীয়ভাবে কোনো জানাজানি না হয়। সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার হরণ করে সরকারের এই জনকল্যাণমূলক সহায়তা একটি নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের পকেটে চলে যাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী ও উপকারভোগীদের প্রধান তিন দাবি :
১. বরাদ্দকৃত চাল অবিলম্বে রুমা সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরাসরি উপকারভোগীদের মাঝে স্বচ্ছভাবে বিতরণ করতে হবে। ২. এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এবং মদদদাতা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। ৩. ভবিষ্যতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় উৎসবে বরাদ্দকৃত সহায়তার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে রুমা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন