চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় কাভার্ড ভ্যানের গতিরোধ করে অস্ত্রের মুখে চালক ও সংশ্লিষ্টদের জিম্মি করে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ৩৩০ কেজি চুল ছিনতাইয়ের ঘটনায় রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানের চালক ও ম্যানেজারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছিনতাই হওয়া ২৩ বস্তা চুল উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী ঢাকা থেকে ২৩ বস্তায় প্রায় ৩৩০ কেজি চুল ক্রয় করেন। পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য চুলগুলো চুয়াডাঙ্গায় আনা হয়। এরপর সমিতির নিজস্ব কাভার্ড ভ্যানে করে চুলের বস্তাগুলো দামুড়হুদা থানার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার একটি প্রসেসিং কারখানায় নেওয়া হচ্ছিল।
গত ২২ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে কাভার্ড ভ্যানটি দামুড়হুদার কোষাঘাটা এলাকায় পৌঁছালে ৭-৮ জন ব্যক্তি এর গতিরোধ করে। একপর্যায়ে তারা চালক ও সংশ্লিষ্টদের জিম্মি করে কাভার্ড ভ্যানে থাকা ২৩ বস্তা চুল নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের একাধিক দলকে দ্রুত তদন্ত করে ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্তের নির্দেশ দেন।
পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানের চালক ও ম্যানেজারের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২৩ আগস্ট রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউস এলাকা থেকে ছিনতাই হওয়া ২৩ বস্তা চুল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের মো. বকুল হোসেনের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম (৪৭) এবং কানাইডাঙ্গা গ্রামের মো. শুকুর আলীর ছেলে সানোয়ার হোসেন সান্টু (৩৯)।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানায় জড়িত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় কাভার্ড ভ্যানের গতিরোধ করে অস্ত্রের মুখে চালক ও সংশ্লিষ্টদের জিম্মি করে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ৩৩০ কেজি চুল ছিনতাইয়ের ঘটনায় রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানের চালক ও ম্যানেজারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছিনতাই হওয়া ২৩ বস্তা চুল উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী ঢাকা থেকে ২৩ বস্তায় প্রায় ৩৩০ কেজি চুল ক্রয় করেন। পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য চুলগুলো চুয়াডাঙ্গায় আনা হয়। এরপর সমিতির নিজস্ব কাভার্ড ভ্যানে করে চুলের বস্তাগুলো দামুড়হুদা থানার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার একটি প্রসেসিং কারখানায় নেওয়া হচ্ছিল।
গত ২২ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে কাভার্ড ভ্যানটি দামুড়হুদার কোষাঘাটা এলাকায় পৌঁছালে ৭-৮ জন ব্যক্তি এর গতিরোধ করে। একপর্যায়ে তারা চালক ও সংশ্লিষ্টদের জিম্মি করে কাভার্ড ভ্যানে থাকা ২৩ বস্তা চুল নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের একাধিক দলকে দ্রুত তদন্ত করে ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্তের নির্দেশ দেন।
পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানের চালক ও ম্যানেজারের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২৩ আগস্ট রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউস এলাকা থেকে ছিনতাই হওয়া ২৩ বস্তা চুল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের মো. বকুল হোসেনের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম (৪৭) এবং কানাইডাঙ্গা গ্রামের মো. শুকুর আলীর ছেলে সানোয়ার হোসেন সান্টু (৩৯)।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানায় জড়িত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন