জিডি ও বাড়িওয়ালার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর পূর্ব কাফরুলের কর্নার ভিউ আবাসিক এলাকার একটি বাসায় গত এপ্রিল ২০২৬ থেকে হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী নায়লা কবির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন।
বাড়িওয়ালা তানজিলা-তুন-নুসরাতের অভিযোগ, বাসায় ওঠার পর থেকেই ভাড়াটিয়ারা নিয়মিত ও যথাসময়ে বাড়িভাড়া পরিশোধ করছিলেন না। পাওনা ভাড়ার বিষয়ে একাধিকবার কথা বলা হলেও তারা বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ ও টালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে ভাড়াটিয়াদের বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হলেও তারা সেই নোটিশ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
বাড়িওয়ালার দাবি, ভাড়া পরিশোধ ও বাসা ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে বিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। গত ২০ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী নায়লা কবির তাকে প্রকাশ্যে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজের পাশাপাশি জীবননাশের হুমকি দেন। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা এবং সম্পত্তির সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে শঙ্কিত হয়ে বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করেন তিনি।
তানজিলা-তুন-নুসরাতের ভাষ্য, পরিস্থিতি একপর্যায়ে এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে তিনি পুলিশ ডাকতে বাধ্য হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার পরও উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি বলে তার দাবি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই নায়লা কবির ভবনের দারোয়ানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে তাকে মারধর করেন। ওই ঘটনার পর নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে রেখে আবারও থানায় জিডি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাড়িওয়ালা।
ঘটনার ধারাবাহিকতায় বাড়িওয়ালা এখন নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তার আশঙ্কা, চলমান বিরোধের জেরে তার বা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা কিংবা বাড়ির সম্পত্তির ক্ষতি হতে পারে। এ কারণেই ভবিষ্যৎ আইনগত নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাগুলো থানায় নথিভুক্ত করেছেন বলে জানান তিনি।
তানজিলা-তুন-নুসরাত বলেন, তিনি কোনো ধরনের সংঘাত বা বলপ্রয়োগ চান না। আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় হুমায়ুন কবির ও নায়লা কবিরের কাছ থেকে নিজের বাড়ির দখল ফিরে পেতে চান। একই সঙ্গে বাড়িভাড়া সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি এবং নিজের পরিবার ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
বাড়িওয়ালার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ভাড়াটিয়াদের বাসা ছাড়ার নোটিশ দেওয়াসহ পরবর্তী সব পদক্ষেপ আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নেওয়া হয়েছে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত সমাধান চান তিনি।
এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির ও নায়লা কবিরের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত জীবননাশের হুমকি, গালিগালাজ ও দারোয়ানকে মারধরের বিষয়গুলো বাড়িওয়ালার অভিযোগের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
জিডি ও বাড়িওয়ালার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর পূর্ব কাফরুলের কর্নার ভিউ আবাসিক এলাকার একটি বাসায় গত এপ্রিল ২০২৬ থেকে হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী নায়লা কবির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন।
বাড়িওয়ালা তানজিলা-তুন-নুসরাতের অভিযোগ, বাসায় ওঠার পর থেকেই ভাড়াটিয়ারা নিয়মিত ও যথাসময়ে বাড়িভাড়া পরিশোধ করছিলেন না। পাওনা ভাড়ার বিষয়ে একাধিকবার কথা বলা হলেও তারা বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ ও টালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে ভাড়াটিয়াদের বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হলেও তারা সেই নোটিশ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
বাড়িওয়ালার দাবি, ভাড়া পরিশোধ ও বাসা ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে বিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। গত ২০ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী নায়লা কবির তাকে প্রকাশ্যে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজের পাশাপাশি জীবননাশের হুমকি দেন। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা এবং সম্পত্তির সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে শঙ্কিত হয়ে বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করেন তিনি।
তানজিলা-তুন-নুসরাতের ভাষ্য, পরিস্থিতি একপর্যায়ে এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে তিনি পুলিশ ডাকতে বাধ্য হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার পরও উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি বলে তার দাবি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই নায়লা কবির ভবনের দারোয়ানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে তাকে মারধর করেন। ওই ঘটনার পর নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে রেখে আবারও থানায় জিডি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাড়িওয়ালা।
ঘটনার ধারাবাহিকতায় বাড়িওয়ালা এখন নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তার আশঙ্কা, চলমান বিরোধের জেরে তার বা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা কিংবা বাড়ির সম্পত্তির ক্ষতি হতে পারে। এ কারণেই ভবিষ্যৎ আইনগত নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাগুলো থানায় নথিভুক্ত করেছেন বলে জানান তিনি।
তানজিলা-তুন-নুসরাত বলেন, তিনি কোনো ধরনের সংঘাত বা বলপ্রয়োগ চান না। আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় হুমায়ুন কবির ও নায়লা কবিরের কাছ থেকে নিজের বাড়ির দখল ফিরে পেতে চান। একই সঙ্গে বাড়িভাড়া সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি এবং নিজের পরিবার ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
বাড়িওয়ালার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ভাড়াটিয়াদের বাসা ছাড়ার নোটিশ দেওয়াসহ পরবর্তী সব পদক্ষেপ আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নেওয়া হয়েছে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত সমাধান চান তিনি।
এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির ও নায়লা কবিরের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত জীবননাশের হুমকি, গালিগালাজ ও দারোয়ানকে মারধরের বিষয়গুলো বাড়িওয়ালার অভিযোগের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন