রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ৭টায় আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সীগঞ্জ একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৫৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ছয়টি কলেজ ও পাঁচটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে এসব শুভেচ্ছাপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধনী কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, মুন্সীগঞ্জ একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আনারুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান শুভ, সদস্য সচিব আল ইমরান রাসেল, আলমডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক হাসনাত রিংকু ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হক তন্ময়।
এ ছাড়া নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিবুল হক, আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক কাজল রহমান, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাছিদুল ইসলামসহ শিক্ষক ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি বাস্তবায়নে জেলা, উপজেলা, পৌর, কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যান। পরে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে তাদের অভিভাবকদের কাছে সচেতনতামূলক শুভেচ্ছাপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়।
শুভেচ্ছাপত্রে সন্তানদের মাদক থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সন্তানদের সচেতন করা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবারের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় প্রশাসন ও সচেতন মহলকে সঙ্গে নিয়ে সমাজের নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মাদক ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও আলমডাঙ্গাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
আয়োজকদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে। তাদের মতে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে নিয়মিত এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হলে মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ৭টায় আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সীগঞ্জ একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৫৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ছয়টি কলেজ ও পাঁচটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে এসব শুভেচ্ছাপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধনী কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, মুন্সীগঞ্জ একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আনারুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান শুভ, সদস্য সচিব আল ইমরান রাসেল, আলমডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক হাসনাত রিংকু ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হক তন্ময়।
এ ছাড়া নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিবুল হক, আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক কাজল রহমান, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাছিদুল ইসলামসহ শিক্ষক ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি বাস্তবায়নে জেলা, উপজেলা, পৌর, কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যান। পরে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে তাদের অভিভাবকদের কাছে সচেতনতামূলক শুভেচ্ছাপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়।
শুভেচ্ছাপত্রে সন্তানদের মাদক থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সন্তানদের সচেতন করা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবারের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় প্রশাসন ও সচেতন মহলকে সঙ্গে নিয়ে সমাজের নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মাদক ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও আলমডাঙ্গাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
আয়োজকদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে। তাদের মতে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে নিয়মিত এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হলে মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন