ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

কটিয়াদী-পাকুন্দিয়ায় মেগা প্রকল্প: বদলে যাচ্ছে কিশোরগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা



কটিয়াদী-পাকুন্দিয়ায় মেগা প্রকল্প: বদলে যাচ্ছে কিশোরগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে একাধিক সড়ক ও সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চার লেনের সড়ক নির্মাণের প্রস্তাবের পাশাপাশি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে একাধিক সেতু নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই সফরকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন এলাকার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যা নিরসনে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেন।

পরিকল্পনার অন্যতম অংশ হিসেবে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড থেকে পাকুন্দিয়া থানাঘাট হয়ে টোক, কাপাসিয়া ও রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া পাকুন্দিয়ার মুনিয়াকান্দি এলাকা থেকে ময়মনসিংহের দপ্তরের বাজার পর্যন্ত পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলার আরও একটি স্থানে সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফরের পরদিনই পাকুন্দিয়ায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর দুটি সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর একটি মুনিয়ারিকান্দা থেকে দত্তের বাজার এবং অন্যটি মির্জাপুর থেকে টাঙ্গাবর পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

কটিয়াদী-পাকুন্দিয়ার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ আরও সহজ করতে চরপুক্ষিয়া থেকে চর গোয়ালবাড়িয়া এবং বৈরাগীরচর থেকে মনতলা পর্যন্ত নদীপথে পৃথক সেতু নির্মাণের উদ্যোগের কথাও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

এদিকে কিশোরগঞ্জ-পাকুন্দিয়া এলাকার সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নেও আগে থেকেই সরকারি প্রকল্প রয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ (বিন্নাটি)-পাকুন্দিয়া-মির্জাপুর-টোক সড়ক যথাযথ মানে উন্নীত করার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে।

পরিকল্পিত সড়ক ও সেতুগুলো বাস্তবায়িত হলে কটিয়াদী-পাকুন্দিয়ার সঙ্গে রাজধানী ঢাকা এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


কটিয়াদী-পাকুন্দিয়ায় মেগা প্রকল্প: বদলে যাচ্ছে কিশোরগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে একাধিক সড়ক ও সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চার লেনের সড়ক নির্মাণের প্রস্তাবের পাশাপাশি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে একাধিক সেতু নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই সফরকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন এলাকার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যা নিরসনে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেন।

পরিকল্পনার অন্যতম অংশ হিসেবে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড থেকে পাকুন্দিয়া থানাঘাট হয়ে টোক, কাপাসিয়া ও রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া পাকুন্দিয়ার মুনিয়াকান্দি এলাকা থেকে ময়মনসিংহের দপ্তরের বাজার পর্যন্ত পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলার আরও একটি স্থানে সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফরের পরদিনই পাকুন্দিয়ায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর দুটি সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর একটি মুনিয়ারিকান্দা থেকে দত্তের বাজার এবং অন্যটি মির্জাপুর থেকে টাঙ্গাবর পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

কটিয়াদী-পাকুন্দিয়ার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ আরও সহজ করতে চরপুক্ষিয়া থেকে চর গোয়ালবাড়িয়া এবং বৈরাগীরচর থেকে মনতলা পর্যন্ত নদীপথে পৃথক সেতু নির্মাণের উদ্যোগের কথাও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

এদিকে কিশোরগঞ্জ-পাকুন্দিয়া এলাকার সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নেও আগে থেকেই সরকারি প্রকল্প রয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ (বিন্নাটি)-পাকুন্দিয়া-মির্জাপুর-টোক সড়ক যথাযথ মানে উন্নীত করার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে।

পরিকল্পিত সড়ক ও সেতুগুলো বাস্তবায়িত হলে কটিয়াদী-পাকুন্দিয়ার সঙ্গে রাজধানী ঢাকা এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ