নওগাঁর পত্নীতলায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ২০ বোতল ভারতীয় তৈরি অবৈধ মাদকদ্রব্য ইসকাফ (ESkuf) উদ্ধারসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পৃথক আরেক অভিযানে মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গত ১৮ আগস্ট বিকেলে পত্নীতলা থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার আবাদিয়াপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানের সময় নজরুল শাহের ইটভাটা থেকে মো. রফিকুল ইসলাম (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি আবাদিয়াপাড়া এলাকার আমির উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটকের পর রফিকুল ইসলামের হেফাজতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ বোতল ভারতীয় তৈরি অবৈধ মাদকদ্রব্য ইসকাফ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পত্নীতলা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ১৯ আগস্ট পত্নীতলা থানা পুলিশ পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধ এবং মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর পত্নীতলায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ২০ বোতল ভারতীয় তৈরি অবৈধ মাদকদ্রব্য ইসকাফ (ESkuf) উদ্ধারসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পৃথক আরেক অভিযানে মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গত ১৮ আগস্ট বিকেলে পত্নীতলা থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার আবাদিয়াপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানের সময় নজরুল শাহের ইটভাটা থেকে মো. রফিকুল ইসলাম (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি আবাদিয়াপাড়া এলাকার আমির উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটকের পর রফিকুল ইসলামের হেফাজতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ বোতল ভারতীয় তৈরি অবৈধ মাদকদ্রব্য ইসকাফ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পত্নীতলা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ১৯ আগস্ট পত্নীতলা থানা পুলিশ পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধ এবং মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন