দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীর গোপন ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে করা পর্নোগ্রাফি মামলায় ইমান আলী (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের পত্নীচান (ডাঙ্গাপাড়া) গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ইমান আলী ওই গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ডেভিড হিমাদ্রী বর্মা জানান, ইমান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, গত ৪ জুলাই তিনি গোপনে এক প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও ধারণ করেন। এরপর গত ৩০ জুলাই সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটের দিকে ‘কলিজা’ নামের একটি ইমু আইডি ব্যবহার করে ওই নারীকে ফোন করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ফোনে নিজেকে ওই নারীর দেবর পরিচয় দিয়ে অশ্লীল কথাবার্তা বলেন ইমান আলী। একপর্যায়ে তার গোপন ভিডিও ধারণের কথা জানিয়ে সেটি ওই নারীর মোবাইল ফোনে পাঠান এবং নিজের পরিচয় প্রকাশ করেন।
পরে ওই নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি ধারণ করা ভিডিও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ছড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী মঙ্গলবার বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১), ৮(২) ও ৮(৩) ধারায় মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে ইমান আলীকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার যুবককে বুধবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীর গোপন ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে করা পর্নোগ্রাফি মামলায় ইমান আলী (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের পত্নীচান (ডাঙ্গাপাড়া) গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ইমান আলী ওই গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ডেভিড হিমাদ্রী বর্মা জানান, ইমান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, গত ৪ জুলাই তিনি গোপনে এক প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও ধারণ করেন। এরপর গত ৩০ জুলাই সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটের দিকে ‘কলিজা’ নামের একটি ইমু আইডি ব্যবহার করে ওই নারীকে ফোন করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ফোনে নিজেকে ওই নারীর দেবর পরিচয় দিয়ে অশ্লীল কথাবার্তা বলেন ইমান আলী। একপর্যায়ে তার গোপন ভিডিও ধারণের কথা জানিয়ে সেটি ওই নারীর মোবাইল ফোনে পাঠান এবং নিজের পরিচয় প্রকাশ করেন।
পরে ওই নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি ধারণ করা ভিডিও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ছড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী মঙ্গলবার বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১), ৮(২) ও ৮(৩) ধারায় মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে ইমান আলীকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার যুবককে বুধবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন