পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম পাড়া এলাকা থেকে গতকাল বিকালে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. ইসমাইল মাস্টার (৮০)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি হুগল বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাসায় উপস্থিত ছিলেন না। তার স্ত্রী মোসা: রিজিয়া বেগম জানান, মো. ইসমাইল মাস্টার জীবদ্দশায় প্রায় চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, গোসল করতে গিয়ে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ফলে মরদেহটি প্রায় তিন দিন ধরে ঘরের ভেতর পড়ে ছিল।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এদিকে, ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে এক যুবক সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নুরুজ্জামান নামের ওই যুবক ঘটনাস্থলে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত নুরুজ্জামান গলাচিপা সততা মোটরস শোরুমে কর্মরত এবং নিহতের পরিবারের সঙ্গে তার কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, সংবাদ কর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও নিন্দনীয়।
লাশটির বিষয়ে জানতে চাইলে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম পাড়া এলাকা থেকে গতকাল বিকালে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. ইসমাইল মাস্টার (৮০)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি হুগল বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাসায় উপস্থিত ছিলেন না। তার স্ত্রী মোসা: রিজিয়া বেগম জানান, মো. ইসমাইল মাস্টার জীবদ্দশায় প্রায় চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, গোসল করতে গিয়ে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ফলে মরদেহটি প্রায় তিন দিন ধরে ঘরের ভেতর পড়ে ছিল।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এদিকে, ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে এক যুবক সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নুরুজ্জামান নামের ওই যুবক ঘটনাস্থলে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত নুরুজ্জামান গলাচিপা সততা মোটরস শোরুমে কর্মরত এবং নিহতের পরিবারের সঙ্গে তার কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, সংবাদ কর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও নিন্দনীয়।
লাশটির বিষয়ে জানতে চাইলে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন