হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক মাহদীর মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের ভাষ্য, সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ছাত্র-জনতার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেন মাহদী হাসান ও তার সহযোগীরা। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় ঘটনাস্থল থেকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
তবে মুক্তির পর মাহদী হাসান ঘটনার ভিন্ন বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল।
তার দাবি, ওই সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মির্জা সুমন ও রাকিবকে পুলিশ আটক করে। এর প্রতিবাদ জানালে তাকেও ঘটনাস্থল থেকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রায় ২১ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে জানান তিনি।
মাহদীর বাবা মাওলানা তৈয়ব আলী বলেন, তার ছেলেকে পুলিশ ধরে নিয়ে ২১ ঘণ্টা থানায় রাখার পর মঙ্গলবার দুপুরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। তবে মুচলেকায় কী লেখা হয়েছে বা কী ধরনের শর্ত রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ তাদের কিছু জানায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কায় মাহদীসহ তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে মুচলেকা নিয়ে তিনজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক মাহদীর মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের ভাষ্য, সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ছাত্র-জনতার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেন মাহদী হাসান ও তার সহযোগীরা। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় ঘটনাস্থল থেকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
তবে মুক্তির পর মাহদী হাসান ঘটনার ভিন্ন বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল।
তার দাবি, ওই সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মির্জা সুমন ও রাকিবকে পুলিশ আটক করে। এর প্রতিবাদ জানালে তাকেও ঘটনাস্থল থেকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রায় ২১ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে জানান তিনি।
মাহদীর বাবা মাওলানা তৈয়ব আলী বলেন, তার ছেলেকে পুলিশ ধরে নিয়ে ২১ ঘণ্টা থানায় রাখার পর মঙ্গলবার দুপুরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। তবে মুচলেকায় কী লেখা হয়েছে বা কী ধরনের শর্ত রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ তাদের কিছু জানায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কায় মাহদীসহ তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে মুচলেকা নিয়ে তিনজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন