গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে সুগম কওমি মাদ্রাসার জানালার সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হুসাইন কাজী (১২) নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
নিহত হুসেইন কাজী উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের বলনারায়ন গ্রামের পলাশ কাজীর ছেলে। সে শুভম কওমি মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র।
মঙ্গলবার (১১ আগষ্ট) বিকেলে উপজেলার পশ্চিম গোপীনাথপুর সুগম কওমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
মাদ্রাসা সূত্রে জানাযায়, আছর নামাজ পড়ে সকল ছাত্ররা বাহিরে খেলাধুলা করে। মাদ্রাসা শিক্ষকরা বাইরে ঘুরাঘুরি করে। এসময় হুসাইন ২য় তালার ৬নং কক্ষের দরজা ভিতর থেকে আটকে দিয়ে জানালার সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
এসময় একজন ছাত্রের অভিভাবক তার বাচ্চার কাপড় নিতে গিয়ে দরজা ভিতর থেকে আটকে রাখা দেখে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় হুসাইনকে দেখে চিৎকার দিলে মাদ্রাসার লোকজন আসে। পরবর্তীতে মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস জানালার গ্রীল কেটে ভিতরে ঢুকে হুসাইনের লাশ উদ্ধার করে।
এবিষয়ে, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে সুগম কওমি মাদ্রাসার জানালার সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হুসাইন কাজী (১২) নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
নিহত হুসেইন কাজী উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের বলনারায়ন গ্রামের পলাশ কাজীর ছেলে। সে শুভম কওমি মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র।
মঙ্গলবার (১১ আগষ্ট) বিকেলে উপজেলার পশ্চিম গোপীনাথপুর সুগম কওমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
মাদ্রাসা সূত্রে জানাযায়, আছর নামাজ পড়ে সকল ছাত্ররা বাহিরে খেলাধুলা করে। মাদ্রাসা শিক্ষকরা বাইরে ঘুরাঘুরি করে। এসময় হুসাইন ২য় তালার ৬নং কক্ষের দরজা ভিতর থেকে আটকে দিয়ে জানালার সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
এসময় একজন ছাত্রের অভিভাবক তার বাচ্চার কাপড় নিতে গিয়ে দরজা ভিতর থেকে আটকে রাখা দেখে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় হুসাইনকে দেখে চিৎকার দিলে মাদ্রাসার লোকজন আসে। পরবর্তীতে মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস জানালার গ্রীল কেটে ভিতরে ঢুকে হুসাইনের লাশ উদ্ধার করে।
এবিষয়ে, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

আপনার মতামত লিখুন