দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গোপালগঞ্জের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে। ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে এই নতুন যাত্রা। এতে সড়কপথের ভোগান্তি ও বাড়তি খরচ থেকে স্বস্তি পাওয়ার পাশাপাশি মাত্র ১৪৫ টাকায় ঢাকায় যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গতকাল রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জে পৌঁছালে স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত রেলসেবা চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন সাধারণ যাত্রীরা।
পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে বড় পরিবর্তন এলেও ঢাকা যাতায়াতে গোপালগঞ্জবাসীর প্রধান ভরসা ছিল বাস। সড়কপথে ঢাকায় যেতে যাত্রীদের ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হতো। সেখানে রেলে মাত্র ১৪৫ টাকায় যাতায়াতের সুযোগকে স্বস্তির খবর হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
প্রায় ৭০০ আসনের এই ট্রেন চালুর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের যাতায়াতের খরচ কমার পাশাপাশি সময় ও ভোগান্তিও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গোপালগঞ্জ ও আশপাশের জেলা বাগেরহাট এবং পিরোজপুরের কৃষিপণ্য কম খরচে ঢাকার বাজারে পাঠানোর সুযোগ তৈরি হবে। এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে ট্রেন চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি বর্তমান সময়সূচি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষও রয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। তাদের দাবি, গোপালগঞ্জ থেকে সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে ট্রেন ছাড়লে কর্মজীবী ও ব্যবসায়ীরা দিনের কাজ শেষ করে রাতে আবার গোপালগঞ্জে ফিরতে পারবেন। এ জন্য সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন তারা।
জানা গেছে, শনিবার ছাড়া প্রতিদিন বেলা সাড়ে ৩টায় কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ছেড়ে যাবে। আর গোপালগঞ্জ থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়বে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’।
কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনটির উদ্বোধন করেন রেল মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম। পরে গোপালগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, এস এম জিলানী ও ডা. কে এম বাবর ট্রেনে করে গোপালগঞ্জে পৌঁছান।
এ সময় যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করা এবং রেল যোগাযোগের সুবিধা বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখার কথা জানান সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যরা।
নতুন এই রেলসেবাকে ঘিরে গোপালগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা, সময়সূচি আরও যাত্রীবান্ধব করা হলে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গোপালগঞ্জের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে। ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে এই নতুন যাত্রা। এতে সড়কপথের ভোগান্তি ও বাড়তি খরচ থেকে স্বস্তি পাওয়ার পাশাপাশি মাত্র ১৪৫ টাকায় ঢাকায় যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গতকাল রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জে পৌঁছালে স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত রেলসেবা চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন সাধারণ যাত্রীরা।
পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে বড় পরিবর্তন এলেও ঢাকা যাতায়াতে গোপালগঞ্জবাসীর প্রধান ভরসা ছিল বাস। সড়কপথে ঢাকায় যেতে যাত্রীদের ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হতো। সেখানে রেলে মাত্র ১৪৫ টাকায় যাতায়াতের সুযোগকে স্বস্তির খবর হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
প্রায় ৭০০ আসনের এই ট্রেন চালুর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের যাতায়াতের খরচ কমার পাশাপাশি সময় ও ভোগান্তিও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গোপালগঞ্জ ও আশপাশের জেলা বাগেরহাট এবং পিরোজপুরের কৃষিপণ্য কম খরচে ঢাকার বাজারে পাঠানোর সুযোগ তৈরি হবে। এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে ট্রেন চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি বর্তমান সময়সূচি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষও রয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। তাদের দাবি, গোপালগঞ্জ থেকে সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে ট্রেন ছাড়লে কর্মজীবী ও ব্যবসায়ীরা দিনের কাজ শেষ করে রাতে আবার গোপালগঞ্জে ফিরতে পারবেন। এ জন্য সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন তারা।
জানা গেছে, শনিবার ছাড়া প্রতিদিন বেলা সাড়ে ৩টায় কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ছেড়ে যাবে। আর গোপালগঞ্জ থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়বে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’।
কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনটির উদ্বোধন করেন রেল মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম। পরে গোপালগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, এস এম জিলানী ও ডা. কে এম বাবর ট্রেনে করে গোপালগঞ্জে পৌঁছান।
এ সময় যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করা এবং রেল যোগাযোগের সুবিধা বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখার কথা জানান সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যরা।
নতুন এই রেলসেবাকে ঘিরে গোপালগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা, সময়সূচি আরও যাত্রীবান্ধব করা হলে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন