গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে দ্রুত নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছে এশিয়া ফ্লোর ওয়েজ অ্যালায়েন্স (এএফডব্লিউএ) বাংলাদেশ কমিটি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নিম্নতম মজুরি দিয়ে একজন পোশাকশ্রমিকের নিজের ও পরিবারের ন্যূনতম প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
এএফডব্লিউএ বাংলাদেশ কমিটির আহ্বায়ক কাজী রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে সমাবেশে সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল হাসান নয়ন সঞ্চালনা করেন।
সমাবেশে শ্রমিক নেতারা বলেন, দেশের রপ্তানি আয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থানে তৈরি পোশাকশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিশেষ করে নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে এ শিল্প বড় ভূমিকা রাখছে। কিন্তু লাখ লাখ শ্রমিকের শ্রমে এ খাতে বিপুল সম্পদ সৃষ্টি হলেও তার ন্যায্য অংশ শ্রমিকরা পাচ্ছেন না।
তাদের ভাষ্য, খাদ্য, বাসাভাড়া, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে সেই তুলনায় শ্রমিকদের আয় বাড়েনি। এতে সংসারের ব্যয় মেটাতে অনেক শ্রমিককে অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হচ্ছে। কেউ কেউ ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন।
সমাবেশে সরকারি কর্মচারীদের প্রস্তাবিত সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা বেতনের বিষয়টিও তুলে ধরেন শ্রমিক নেতারা। তারা বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হলে একই বাস্তবতায় পোশাকশ্রমিকদের মজুরিও পুনর্নির্ধারণ করা উচিত।
নেতারা চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই গার্মেন্টস খাতে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানান। একই সঙ্গে মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের প্রকৃত জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশ শেষে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে দ্রুত মজুরি বোর্ড গঠনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে মজুরি বোর্ডে স্বাধীন শ্রমিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, জীবনযাত্রার প্রকৃত ব্যয় বিবেচনায় মজুরি নির্ধারণ, চাকরি ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার নিশ্চিত করার দাবিও তুলে ধরা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে দ্রুত নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছে এশিয়া ফ্লোর ওয়েজ অ্যালায়েন্স (এএফডব্লিউএ) বাংলাদেশ কমিটি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নিম্নতম মজুরি দিয়ে একজন পোশাকশ্রমিকের নিজের ও পরিবারের ন্যূনতম প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
এএফডব্লিউএ বাংলাদেশ কমিটির আহ্বায়ক কাজী রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে সমাবেশে সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল হাসান নয়ন সঞ্চালনা করেন।
সমাবেশে শ্রমিক নেতারা বলেন, দেশের রপ্তানি আয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থানে তৈরি পোশাকশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিশেষ করে নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে এ শিল্প বড় ভূমিকা রাখছে। কিন্তু লাখ লাখ শ্রমিকের শ্রমে এ খাতে বিপুল সম্পদ সৃষ্টি হলেও তার ন্যায্য অংশ শ্রমিকরা পাচ্ছেন না।
তাদের ভাষ্য, খাদ্য, বাসাভাড়া, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে সেই তুলনায় শ্রমিকদের আয় বাড়েনি। এতে সংসারের ব্যয় মেটাতে অনেক শ্রমিককে অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হচ্ছে। কেউ কেউ ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন।
সমাবেশে সরকারি কর্মচারীদের প্রস্তাবিত সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা বেতনের বিষয়টিও তুলে ধরেন শ্রমিক নেতারা। তারা বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হলে একই বাস্তবতায় পোশাকশ্রমিকদের মজুরিও পুনর্নির্ধারণ করা উচিত।
নেতারা চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই গার্মেন্টস খাতে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানান। একই সঙ্গে মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের প্রকৃত জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশ শেষে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে দ্রুত মজুরি বোর্ড গঠনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে মজুরি বোর্ডে স্বাধীন শ্রমিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, জীবনযাত্রার প্রকৃত ব্যয় বিবেচনায় মজুরি নির্ধারণ, চাকরি ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার নিশ্চিত করার দাবিও তুলে ধরা হয়।

আপনার মতামত লিখুন