দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি সংবাদপত্রের কার্যালয়ে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। শুক্রবার লন্ডন থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, গণমাধ্যমের ওপর এ ধরনের সহিংসতা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর একটি ভয়াবহ আঘাত। বিশেষ করে ১৯ ডিসেম্বর প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের চালানো হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ যখন দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছে, ঠিক তখনই গণমাধ্যমের ওপর এমন আক্রমণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতা এবং রাজনৈতিক সহিংসতার ধারাবাহিকতা দেশের নাগরিক পরিসরকে সংকুচিত করছে বলে এইচআরডব্লিউ মনে করে। এ ধরনের পরিস্থিতি মানবাধিকার লঙ্ঘনের নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে যা একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে বড় বাধা।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, তরুণ নেতা শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ছিল একটি জঘন্য অপরাধ। তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে দেশে যেভাবে গণ-সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি আরও সতর্ক করেন যে, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের উসকানি সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী এবং এমনকি সাংস্কৃতিক কর্মীদের জীবনকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
সংস্থাটির মতে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে এখনই দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সহিংসতা বন্ধ করে নাগরিক অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা করাই এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হওয়া উচিত বলে বিবৃতিতে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি সংবাদপত্রের কার্যালয়ে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। শুক্রবার লন্ডন থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, গণমাধ্যমের ওপর এ ধরনের সহিংসতা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর একটি ভয়াবহ আঘাত। বিশেষ করে ১৯ ডিসেম্বর প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের চালানো হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ যখন দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছে, ঠিক তখনই গণমাধ্যমের ওপর এমন আক্রমণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতা এবং রাজনৈতিক সহিংসতার ধারাবাহিকতা দেশের নাগরিক পরিসরকে সংকুচিত করছে বলে এইচআরডব্লিউ মনে করে। এ ধরনের পরিস্থিতি মানবাধিকার লঙ্ঘনের নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে যা একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে বড় বাধা।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, তরুণ নেতা শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ছিল একটি জঘন্য অপরাধ। তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে দেশে যেভাবে গণ-সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি আরও সতর্ক করেন যে, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের উসকানি সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী এবং এমনকি সাংস্কৃতিক কর্মীদের জীবনকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
সংস্থাটির মতে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে এখনই দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সহিংসতা বন্ধ করে নাগরিক অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা করাই এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হওয়া উচিত বলে বিবৃতিতে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন