ময়মনসিংহের ভালুকায় সনাতন ধর্মাবলম্বী এক যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. লিমন সরকার, মো. তারেক হোসেন, মো. মানিক মিয়া, এরশাদ আলী, নিজুম উদ্দিন, আলমগীর হোসেন এবং মো. মিরাজ হোসেন আকন। শনিবার র্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ভালুকার পাইওনিয়ার নিট কম্পোজিট কারখানায় কর্মরত শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়। এর প্রেক্ষিতে উত্তেজিত জনতা তাকে কারখানার বাইরে নিয়ে এসে প্রথমে প্রচণ্ড মারধর করে। পরবর্তীতে তাকে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে পিটিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এখানেই শেষ নয়, হত্যার পর বিক্ষুব্ধরা নিহতের মরদেহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে নিয়ে গিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়, যা এলাকায় এক ভয়াবহ ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
র্যাব-১৪ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গিয়েছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একাধিক টিম ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়। গত ১৮ ডিসেম্বর সংঘটিত এই বর্বরোচিত ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
ময়মনসিংহের ভালুকায় সনাতন ধর্মাবলম্বী এক যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. লিমন সরকার, মো. তারেক হোসেন, মো. মানিক মিয়া, এরশাদ আলী, নিজুম উদ্দিন, আলমগীর হোসেন এবং মো. মিরাজ হোসেন আকন। শনিবার র্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ভালুকার পাইওনিয়ার নিট কম্পোজিট কারখানায় কর্মরত শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়। এর প্রেক্ষিতে উত্তেজিত জনতা তাকে কারখানার বাইরে নিয়ে এসে প্রথমে প্রচণ্ড মারধর করে। পরবর্তীতে তাকে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে পিটিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এখানেই শেষ নয়, হত্যার পর বিক্ষুব্ধরা নিহতের মরদেহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে নিয়ে গিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়, যা এলাকায় এক ভয়াবহ ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
র্যাব-১৪ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গিয়েছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একাধিক টিম ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়। গত ১৮ ডিসেম্বর সংঘটিত এই বর্বরোচিত ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন