ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ঘোড়াঘাটে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ



ঘোড়াঘাটে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ
ঘোড়াঘাট উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ছবি: প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড ২০২৬ কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। মেধার মূল্যায়ন না করে সুপারিশের ভিত্তিতে পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছে—এমন দাবিতে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বঞ্চিত মেধা তালিকার প্রার্থীরা।


বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপরই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।


বঞ্চিত প্রার্থীদের অভিযোগ, মেধা ও লিখিত পরীক্ষার যোগ্যতাকে পাশ কাটিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সুপারিশে তাঁদের স্বজনদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই বেআইনিভাবে নির্বাচিত করার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছেন তাঁরা।


ক্ষোভ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রার্থী জানান, "লিখিত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পারফর্ম করার পরও স্বজনপ্রীতির বলয়ে অনেক যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। যদি সুপারিশই নিয়োগের মূল মাপকাঠি হয়, তবে লোকদেখানি পরীক্ষার নামে এই প্রহসনের কোনো প্রয়োজন ছিল না।" অনতিবিলম্বে এ তালিকার সুষ্ঠু তদন্ত করে মেধানুযায়ী পুনরায় ফলাফল প্রকাশের দাবি জানান তারা।


স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এমন বিতর্কিত নিয়োগপ্রক্রিয়া প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মেধাবীদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।


তবে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের এসব অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা। তিনি জানান, "নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি হয়নি। সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই ফলাফল দেওয়া হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তাঁদের ব্যক্তিগতভাবে আমি চিনিও না।"

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ঘোড়াঘাটে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড ২০২৬ কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। মেধার মূল্যায়ন না করে সুপারিশের ভিত্তিতে পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছে—এমন দাবিতে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বঞ্চিত মেধা তালিকার প্রার্থীরা।


বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপরই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।


বঞ্চিত প্রার্থীদের অভিযোগ, মেধা ও লিখিত পরীক্ষার যোগ্যতাকে পাশ কাটিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সুপারিশে তাঁদের স্বজনদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই বেআইনিভাবে নির্বাচিত করার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছেন তাঁরা।


ক্ষোভ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রার্থী জানান, "লিখিত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পারফর্ম করার পরও স্বজনপ্রীতির বলয়ে অনেক যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। যদি সুপারিশই নিয়োগের মূল মাপকাঠি হয়, তবে লোকদেখানি পরীক্ষার নামে এই প্রহসনের কোনো প্রয়োজন ছিল না।" অনতিবিলম্বে এ তালিকার সুষ্ঠু তদন্ত করে মেধানুযায়ী পুনরায় ফলাফল প্রকাশের দাবি জানান তারা।


স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এমন বিতর্কিত নিয়োগপ্রক্রিয়া প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মেধাবীদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।


তবে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের এসব অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা। তিনি জানান, "নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি হয়নি। সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই ফলাফল দেওয়া হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তাঁদের ব্যক্তিগতভাবে আমি চিনিও না।"


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ