ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের বীর যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ খুলেছেন ভারতের কংগ্রেস এমপি ও পররাষ্ট্রবিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিটির প্রধান শশী থারুর। তিনি জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় কর্মকর্তারা সরাসরি ঢাকা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।
শশী থারুর বলেন, “বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দূতাবাসের কর্মকর্তারা দুটি ভিসা সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছেন, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। এর ফলে ভারত গমনে ইচ্ছুক বাংলাদেশিরা ভিসা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এবং আমাদের সরকারের পক্ষে তাদের সহায়তা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পরিস্থিতি দ্রুতই স্বাভাবিক হবে। বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি অটল বিহারী বাজপেয়ীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “আমরা আমাদের জায়গায় আছি এবং তারা তাদের জায়গায়। প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের একে অপরের সঙ্গে কাজ করা শিখতে হবে এবং এই গভীর সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে হবে।”
ভারতের এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আরও উল্লেখ করেন যে, ভারত সরকারকে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে। তিনি বলেন, “সরকারকে খুব সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ঢাকায় থাকা ভারতীয় কর্মকর্তারা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করবে এবং উত্তেজনা প্রশমনে যা করণীয় তা করার জন্য অনুরোধ করবে।”
উল্লেখ্য, ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে গতকাল দিনভর রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি সংবাদমাধ্যম কার্যালয়েও হামলা চালায়। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভারতের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার এই বার্তা এলো।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের বীর যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ খুলেছেন ভারতের কংগ্রেস এমপি ও পররাষ্ট্রবিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিটির প্রধান শশী থারুর। তিনি জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় কর্মকর্তারা সরাসরি ঢাকা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।
শশী থারুর বলেন, “বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দূতাবাসের কর্মকর্তারা দুটি ভিসা সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছেন, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। এর ফলে ভারত গমনে ইচ্ছুক বাংলাদেশিরা ভিসা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এবং আমাদের সরকারের পক্ষে তাদের সহায়তা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পরিস্থিতি দ্রুতই স্বাভাবিক হবে। বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি অটল বিহারী বাজপেয়ীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “আমরা আমাদের জায়গায় আছি এবং তারা তাদের জায়গায়। প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের একে অপরের সঙ্গে কাজ করা শিখতে হবে এবং এই গভীর সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে হবে।”
ভারতের এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আরও উল্লেখ করেন যে, ভারত সরকারকে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে। তিনি বলেন, “সরকারকে খুব সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ঢাকায় থাকা ভারতীয় কর্মকর্তারা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করবে এবং উত্তেজনা প্রশমনে যা করণীয় তা করার জন্য অনুরোধ করবে।”
উল্লেখ্য, ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে গতকাল দিনভর রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি সংবাদমাধ্যম কার্যালয়েও হামলা চালায়। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভারতের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার এই বার্তা এলো।

আপনার মতামত লিখুন