ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ধীরগতির পথে বিশ্ব অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতি কমলেও অনিশ্চয়তা কাটেনি


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

ধীরগতির পথে বিশ্ব অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতি কমলেও অনিশ্চয়তা কাটেনি
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব অর্থনীতি ২০২৬ সালে ধীরগতিতে এগোলেও এখনই বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা দেখছেন না অর্থনীতিবিদরা। তবে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকট, বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ ঋণের চাপ এবং বিনিয়োগে শ্লথগতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমে আসায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ওপর সুদের হার কমানোর চাপও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

জাতিসংঘের World Economic Situation and Prospects 2026 প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২.৭ শতাংশ হতে পারে, যা মহামারির আগের দীর্ঘমেয়াদি গড় প্রবৃদ্ধির তুলনায় কম। দুর্বল বিনিয়োগ, সীমিত সরকারি ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তার কারণে প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর রয়েছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.০ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ অর্থনীতিকে সহায়তা করলেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য বিভাজন এখনো বড় ঝুঁকি।

এদিকে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব জ্বালানি, খাদ্য ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে চাপ সৃষ্টি করেছে। যদিও বিশ্ব অর্থনীতি এখন পর্যন্ত ধাক্কা সামলে উঠতে পেরেছে, তবুও অনিশ্চয়তা এখনও অনেক বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য উচ্চ ঋণ, বৈদেশিক অর্থায়নের ব্যয় এবং রপ্তানি বাজারের অনিশ্চয়তা আগামী মাসগুলোতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকতে পারে। বাংলাদেশের মতো রপ্তানি ও রেমিট্যান্সনির্ভর অর্থনীতির জন্যও বৈশ্বিক বাজারের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ধীরগতির পথে বিশ্ব অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতি কমলেও অনিশ্চয়তা কাটেনি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিশ্ব অর্থনীতি ২০২৬ সালে ধীরগতিতে এগোলেও এখনই বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা দেখছেন না অর্থনীতিবিদরা। তবে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকট, বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ ঋণের চাপ এবং বিনিয়োগে শ্লথগতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমে আসায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ওপর সুদের হার কমানোর চাপও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

জাতিসংঘের World Economic Situation and Prospects 2026 প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২.৭ শতাংশ হতে পারে, যা মহামারির আগের দীর্ঘমেয়াদি গড় প্রবৃদ্ধির তুলনায় কম। দুর্বল বিনিয়োগ, সীমিত সরকারি ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তার কারণে প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর রয়েছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.০ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ অর্থনীতিকে সহায়তা করলেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য বিভাজন এখনো বড় ঝুঁকি।

এদিকে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব জ্বালানি, খাদ্য ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে চাপ সৃষ্টি করেছে। যদিও বিশ্ব অর্থনীতি এখন পর্যন্ত ধাক্কা সামলে উঠতে পেরেছে, তবুও অনিশ্চয়তা এখনও অনেক বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য উচ্চ ঋণ, বৈদেশিক অর্থায়নের ব্যয় এবং রপ্তানি বাজারের অনিশ্চয়তা আগামী মাসগুলোতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকতে পারে। বাংলাদেশের মতো রপ্তানি ও রেমিট্যান্সনির্ভর অর্থনীতির জন্যও বৈশ্বিক বাজারের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ