সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ৪ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। গত বুধবার দিবাগত রাত ১টা ১১ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয় বলে দেশটির ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির মুখপাত্র তারেক আবু আল-খলিল জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূগর্ভের মাত্র ৮ কিলোমিটার গভীরে। তবে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা কম থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা অবকাঠামোগত বিনাশের খবর পাওয়া যায়নি।
ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থার মতে, ইরানের জাগরোস পর্বতমালায় আরব ও ইউরোপীয় টেকটোনিক প্লেটের মধ্যবর্তী চাপের ফলে এই ভূকম্পন সৃষ্টি হয়েছে। এই ভূ-তাত্ত্বিক চাপের প্রভাবে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের নিচে থাকা ফল্ট বা ফাটলগুলো পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে, যার ফলে ওই অঞ্চলে মাঝেমধ্যেই মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। সৌদি গ্যাজেটের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
অন্যদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৌদি আরবের ওই প্রদেশে গত কয়েকদিন ধরেই রেড অ্যালার্ট জারি রয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে বুধবার পর্যন্ত টানা তিনদিন সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান ও কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। ভূমিকম্পের পর ভূতত্ত্ববিদরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জনগণকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ৪ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। গত বুধবার দিবাগত রাত ১টা ১১ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয় বলে দেশটির ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির মুখপাত্র তারেক আবু আল-খলিল জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূগর্ভের মাত্র ৮ কিলোমিটার গভীরে। তবে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা কম থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা অবকাঠামোগত বিনাশের খবর পাওয়া যায়নি।
ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থার মতে, ইরানের জাগরোস পর্বতমালায় আরব ও ইউরোপীয় টেকটোনিক প্লেটের মধ্যবর্তী চাপের ফলে এই ভূকম্পন সৃষ্টি হয়েছে। এই ভূ-তাত্ত্বিক চাপের প্রভাবে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের নিচে থাকা ফল্ট বা ফাটলগুলো পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে, যার ফলে ওই অঞ্চলে মাঝেমধ্যেই মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। সৌদি গ্যাজেটের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
অন্যদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৌদি আরবের ওই প্রদেশে গত কয়েকদিন ধরেই রেড অ্যালার্ট জারি রয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে বুধবার পর্যন্ত টানা তিনদিন সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান ও কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। ভূমিকম্পের পর ভূতত্ত্ববিদরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জনগণকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন