বগুড়ার ধুনট উপজেলার বেলকুচি গ্রামে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক চিকিৎসকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে ধুনট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিরোধপূর্ণ জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বেলকুচি গ্রামের রমজান আলী ২০১৭ সালে হেবা ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে তার সন্তানদের জমি দান করেন। জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলে চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত রাজ্জাকুল কবির বিদ্যুৎ তার প্রাপ্য অংশ বুঝে পান এবং অবশিষ্ট ২৬ শতাংশ জমির মালিকানা অভিযোগকারীর পরিবারের নিকট থাকে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রাস্তার পাশের একটি পুরোনো টিনের ঘর অভিযোগকারী মাহবুবুর রহমান ও তার ভাই চিকিৎসক এ এইচ এম জামাল (রতন)-কে প্রদান করা হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, পার্শ্ববর্তী জমির মালিক রফিকুল ইসলাম শাহীন সালিশের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ঘরটি জোরপূর্বক দখল করেন এবং সেখানে টয়লেট নির্মাণ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেন।
গত ১৫ ডিসেম্বর দুপুরে অভিযোগকারী ও তার ভাই নিজ জমিতে প্রাচীর নির্মাণ শুরু করলে রফিকুল ইসলাম শাহীন একদল লোক নিয়ে কাজে বাধা প্রদান করেন। একপর্যায়ে শাহীন কোদাল হাতে রাজমিস্ত্রিদের তাড়িয়ে দেন এবং হত্যার উদ্দেশ্যে চিকিৎসক জামালের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। উপস্থিত লোকজনের হস্তক্ষেপে তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও অভিযুক্তরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। খবর পেয়ে ধুনট থানা পুলিশ ও ৯৯৯-এর টহল দল ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভুক্তভোগী মাহবুবুর রহমান জানান, সালিশের সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়েছে এবং বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ধুনট থানা পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
বগুড়ার ধুনট উপজেলার বেলকুচি গ্রামে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক চিকিৎসকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে ধুনট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিরোধপূর্ণ জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বেলকুচি গ্রামের রমজান আলী ২০১৭ সালে হেবা ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে তার সন্তানদের জমি দান করেন। জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলে চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত রাজ্জাকুল কবির বিদ্যুৎ তার প্রাপ্য অংশ বুঝে পান এবং অবশিষ্ট ২৬ শতাংশ জমির মালিকানা অভিযোগকারীর পরিবারের নিকট থাকে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রাস্তার পাশের একটি পুরোনো টিনের ঘর অভিযোগকারী মাহবুবুর রহমান ও তার ভাই চিকিৎসক এ এইচ এম জামাল (রতন)-কে প্রদান করা হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, পার্শ্ববর্তী জমির মালিক রফিকুল ইসলাম শাহীন সালিশের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ঘরটি জোরপূর্বক দখল করেন এবং সেখানে টয়লেট নির্মাণ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেন।
গত ১৫ ডিসেম্বর দুপুরে অভিযোগকারী ও তার ভাই নিজ জমিতে প্রাচীর নির্মাণ শুরু করলে রফিকুল ইসলাম শাহীন একদল লোক নিয়ে কাজে বাধা প্রদান করেন। একপর্যায়ে শাহীন কোদাল হাতে রাজমিস্ত্রিদের তাড়িয়ে দেন এবং হত্যার উদ্দেশ্যে চিকিৎসক জামালের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। উপস্থিত লোকজনের হস্তক্ষেপে তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও অভিযুক্তরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। খবর পেয়ে ধুনট থানা পুলিশ ও ৯৯৯-এর টহল দল ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভুক্তভোগী মাহবুবুর রহমান জানান, সালিশের সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়েছে এবং বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ধুনট থানা পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন