ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

টাঙ্গাইল কটন মিল নিয়ে সুখবর, দ্রুত চালুর ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর


টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইল কটন মিল নিয়ে সুখবর, দ্রুত চালুর ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর
ছবি: প্রতিনিধি

দীর্ঘ দুই যুগ ধরে বন্ধ থাকা মির্জাপুরের ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল কটন মিল আবার চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ শিল্প-কারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে সচল করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই মিল চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে কারখানাটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, একসময় টাঙ্গাইল কটন মিল ছিল মির্জাপুরের গর্ব ও মানুষের আবেগের প্রতীক। সরকারের লক্ষ্য এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা।

প্রতিমন্ত্রী জানান, মির্জাপুরে থাকা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতায় আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইল কটন মিল চালুর সম্ভাবনা যাচাই করতে ইতোমধ্যে একজন চীনা বিনিয়োগকারী কারখানাটি পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরাও প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দেখেছেন।

বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মো. শরীফুল আলম বলেন, সরকার স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় পরিসরে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্বিঘ্নে উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারে।

তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যুৎ খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র সামনে এসেছে। এসব সমস্যা কাটিয়ে স্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় তিনি দেশবাসীর কাছে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) সচিব ও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্প পরিচালক কাজী ফিরোজ হোসাইন জানান, স্বাধীনতার আগে প্রায় ২৫ একর জমির ওপর টাঙ্গাইল কটন মিল প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশে এটি জাতীয়করণ করা হয়। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বিটিএমসির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হওয়ার পর ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পদ্ধতিতে উৎপাদন কার্যক্রম চললেও এরপর থেকে মিলটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

পরিদর্শনকালে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ, বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


টাঙ্গাইল কটন মিল নিয়ে সুখবর, দ্রুত চালুর ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ দুই যুগ ধরে বন্ধ থাকা মির্জাপুরের ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল কটন মিল আবার চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ শিল্প-কারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে সচল করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই মিল চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে কারখানাটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, একসময় টাঙ্গাইল কটন মিল ছিল মির্জাপুরের গর্ব ও মানুষের আবেগের প্রতীক। সরকারের লক্ষ্য এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা।

প্রতিমন্ত্রী জানান, মির্জাপুরে থাকা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতায় আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইল কটন মিল চালুর সম্ভাবনা যাচাই করতে ইতোমধ্যে একজন চীনা বিনিয়োগকারী কারখানাটি পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরাও প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দেখেছেন।

বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মো. শরীফুল আলম বলেন, সরকার স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় পরিসরে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্বিঘ্নে উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারে।

তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যুৎ খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র সামনে এসেছে। এসব সমস্যা কাটিয়ে স্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় তিনি দেশবাসীর কাছে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) সচিব ও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্প পরিচালক কাজী ফিরোজ হোসাইন জানান, স্বাধীনতার আগে প্রায় ২৫ একর জমির ওপর টাঙ্গাইল কটন মিল প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশে এটি জাতীয়করণ করা হয়। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বিটিএমসির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হওয়ার পর ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পদ্ধতিতে উৎপাদন কার্যক্রম চললেও এরপর থেকে মিলটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

পরিদর্শনকালে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ, বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ