ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সাড়ে ৬ বছরে ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১,৩৮৪ জনের


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৬

সাড়ে ৬ বছরে ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১,৩৮৪ জনের
ছবি: সংগৃহীত

সাড়ে ছয় বছরে রাজধানীতে ১ হাজার ৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহী।

শনিবার (১ আগস্ট) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে ২০২০ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৩৪ জন পুরুষ, ২১৯ জন নারী এবং ১৩১ জন শিশু। মোট নিহতের ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ পথচারী, ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ মোটরসাইকেল আরোহী এবং বাকি ১৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাস, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের চালক-যাত্রী।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে রাতে। মোট নিহতের ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ রাতের দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। এছাড়া সকালে ১৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ, দুপুরে ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ, বিকেলে ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ভোরে ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং সন্ধ্যায় ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের হার সবচেয়ে বেশি, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। এরপর রয়েছে মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, বাস ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, অটোরিকশা, সিএনজি ও লেগুনা ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও জিপ ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, রাজধানীতে রাতে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল, দীর্ঘ যানজটের কারণে চালকদের অসহিষ্ণুতা, অপ্রতুল সড়ক অবকাঠামো, একই সড়কে ভিন্ন গতির যানবাহনের চলাচল, ফুটপাত দখল এবং নিরাপদ পারাপার ব্যবস্থার ঘাটতি দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

প্রতিবেদনে যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ককে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা (হটস্পট) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পরিস্থিতির উন্নয়নে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক বাসসেবা চালুর পাশাপাশি বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদারের সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।



এস.আর 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


সাড়ে ৬ বছরে ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১,৩৮৪ জনের

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সাড়ে ছয় বছরে রাজধানীতে ১ হাজার ৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহী।

শনিবার (১ আগস্ট) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে ২০২০ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৩৪ জন পুরুষ, ২১৯ জন নারী এবং ১৩১ জন শিশু। মোট নিহতের ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ পথচারী, ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ মোটরসাইকেল আরোহী এবং বাকি ১৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাস, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের চালক-যাত্রী।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে রাতে। মোট নিহতের ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ রাতের দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। এছাড়া সকালে ১৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ, দুপুরে ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ, বিকেলে ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ভোরে ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং সন্ধ্যায় ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের হার সবচেয়ে বেশি, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। এরপর রয়েছে মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, বাস ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, অটোরিকশা, সিএনজি ও লেগুনা ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও জিপ ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, রাজধানীতে রাতে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল, দীর্ঘ যানজটের কারণে চালকদের অসহিষ্ণুতা, অপ্রতুল সড়ক অবকাঠামো, একই সড়কে ভিন্ন গতির যানবাহনের চলাচল, ফুটপাত দখল এবং নিরাপদ পারাপার ব্যবস্থার ঘাটতি দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

প্রতিবেদনে যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ককে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা (হটস্পট) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পরিস্থিতির উন্নয়নে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক বাসসেবা চালুর পাশাপাশি বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদারের সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।



এস.আর 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ