নোয়াখালীর সেনবাগে নিজের ১৮ বছর বয়সী মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়ন থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের মৃত আব্দুল হক ভূঁইয়ার ছেলে এবং পেশায় দিনমজুর।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় দুই বছর ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের মেয়েকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত একাধিকবার ভুক্তভোগীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগী বিষয়টি তার চাচা ও জ্যাঠাদের জানালে গত ২৮ জুলাই রাতে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অভিযুক্তকে ৩৩ বেত্রাঘাত, জুতার মালা পরানো এবং নাকে খত দেওয়ার মতো শাস্তি দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। পরে ঘটনাটি পুলিশের নজরে এলে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি আব্দুর রহিম সরকার বলেন, ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
নোয়াখালীর সেনবাগে নিজের ১৮ বছর বয়সী মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়ন থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের মৃত আব্দুল হক ভূঁইয়ার ছেলে এবং পেশায় দিনমজুর।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় দুই বছর ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের মেয়েকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত একাধিকবার ভুক্তভোগীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগী বিষয়টি তার চাচা ও জ্যাঠাদের জানালে গত ২৮ জুলাই রাতে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অভিযুক্তকে ৩৩ বেত্রাঘাত, জুতার মালা পরানো এবং নাকে খত দেওয়ার মতো শাস্তি দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। পরে ঘটনাটি পুলিশের নজরে এলে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি আব্দুর রহিম সরকার বলেন, ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন