ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার দুল্লা ইউনিয়নে জন্মনিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নেওয়া হয়েছে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে কোনো শিশুর জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করলেই ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের শুভেচ্ছা উপহার। উদ্যোগটি শুরু হওয়ার পর থেকেই অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করালে বিনামূল্যে জন্মনিবন্ধন সনদের পাশাপাশি উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে তোয়ালে, গাছের চারা, সুজি, চিনি, মশারি, ছাতা, মগ, বাটি, চামচ এবং শিশুদের বিভিন্ন খেলনা।
অভিভাবকদের সময়মতো জন্মনিবন্ধনে উদ্বুদ্ধ করতে এই উদ্যোগ নিয়েছেন দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মানজুর আহমেদ এবং ইউপি সচিব মেহেদী হাসান। চলতি বছরের ২৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম মাসব্যাপী চলবে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করলে কোনো ফি দিতে হয় না। কিন্তু বিষয়টি সম্পর্কে অনেক অভিভাবকের অজ্ঞতা কিংবা নানা কারণে সময়মতো নিবন্ধন করা হয়ে ওঠে না। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই জনসচেতনতা বাড়াতে উপহার দেওয়ার এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মেহেদী হাসান বলেন, অভিভাবকদের উৎসাহিত করতে নেওয়া এ উদ্যোগে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো সাড়া মিলছে। মাত্র এক সপ্তাহেই রেকর্ডসংখ্যক জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মানজুর আহমেদ বলেন, জন্মনিবন্ধন একটি শিশুর নাগরিক পরিচয়ের প্রথম ধাপ। সময়মতো নিবন্ধন নিশ্চিত হলে শিশু ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণে কোনো জটিলতায় পড়বে না। এ লক্ষ্যেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, জন্মনিবন্ধন শিশুর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অভিভাবকদের সচেতন ও আগ্রহী করতেই এই উদ্যোগ। তিনি জানান, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ ইতোমধ্যেই ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়নের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার দুল্লা ইউনিয়নে জন্মনিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নেওয়া হয়েছে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে কোনো শিশুর জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করলেই ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের শুভেচ্ছা উপহার। উদ্যোগটি শুরু হওয়ার পর থেকেই অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করালে বিনামূল্যে জন্মনিবন্ধন সনদের পাশাপাশি উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে তোয়ালে, গাছের চারা, সুজি, চিনি, মশারি, ছাতা, মগ, বাটি, চামচ এবং শিশুদের বিভিন্ন খেলনা।
অভিভাবকদের সময়মতো জন্মনিবন্ধনে উদ্বুদ্ধ করতে এই উদ্যোগ নিয়েছেন দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মানজুর আহমেদ এবং ইউপি সচিব মেহেদী হাসান। চলতি বছরের ২৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম মাসব্যাপী চলবে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করলে কোনো ফি দিতে হয় না। কিন্তু বিষয়টি সম্পর্কে অনেক অভিভাবকের অজ্ঞতা কিংবা নানা কারণে সময়মতো নিবন্ধন করা হয়ে ওঠে না। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই জনসচেতনতা বাড়াতে উপহার দেওয়ার এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মেহেদী হাসান বলেন, অভিভাবকদের উৎসাহিত করতে নেওয়া এ উদ্যোগে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো সাড়া মিলছে। মাত্র এক সপ্তাহেই রেকর্ডসংখ্যক জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মানজুর আহমেদ বলেন, জন্মনিবন্ধন একটি শিশুর নাগরিক পরিচয়ের প্রথম ধাপ। সময়মতো নিবন্ধন নিশ্চিত হলে শিশু ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণে কোনো জটিলতায় পড়বে না। এ লক্ষ্যেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, জন্মনিবন্ধন শিশুর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অভিভাবকদের সচেতন ও আগ্রহী করতেই এই উদ্যোগ। তিনি জানান, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ ইতোমধ্যেই ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়নের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

আপনার মতামত লিখুন