নীলফামারীতে মাদক, কিশোর গ্যাং এবং বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র্যাব-১৩-এর উদ্যোগে এক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন র্যাব-১৩-এর কমান্ডার আশরাফুল কবির। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সচিব ও নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোহসিন।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার, অনলাইন প্রতারণা, সাইবার বুলিং এবং বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাধ্যমে এসব অপরাধ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
এ সময় যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং অন্যান্য সৃজনশীল কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
নীলফামারীতে মাদক, কিশোর গ্যাং এবং বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র্যাব-১৩-এর উদ্যোগে এক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন র্যাব-১৩-এর কমান্ডার আশরাফুল কবির। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সচিব ও নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোহসিন।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার, অনলাইন প্রতারণা, সাইবার বুলিং এবং বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাধ্যমে এসব অপরাধ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
এ সময় যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং অন্যান্য সৃজনশীল কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন