সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় নিকলী উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে “শান্তি-শৃঙ্খলা এবং সামাজিক সচেতনতায় যুবদের ভূমিকা” শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিকলী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ইরফানুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেহানা মজুমদার মুক্তি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, “আজকের যুব সমাজই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। তারা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়, তাহলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন দ্রুত সম্ভব হবে।” তিনি তরুণদের দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আসিফ ইমতিয়াজ মনির, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জাকির হুসাইন এবং হিসাবরক্ষক আরমান। বক্তারা বলেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, মাদক নির্মূল, সামাজিক অপরাধ দমন এবং নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় যুব সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ইরফানুল হক বলেন, “যুবসমাজকে সুসংগঠিত ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান যদি অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ এলাকায় ছড়িয়ে দিতে পারেন, তাহলে এ আয়োজনের প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল হবে।”
প্রশিক্ষণে নিকলী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত প্রায় শতাধিক যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন সেশনে সামাজিক সচেতনতা, নেতৃত্বের বিকাশ, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম, মাদকবিরোধী আন্দোলন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং অপরাধ প্রতিরোধে যুবসমাজের করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
অংশগ্রহণকারী তরুণ-তরুণীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের ব্যক্তিগত উন্নয়ন, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে তারা নতুন করে অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার এমন উদ্যোগ সময়োপযোগী। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে একটি দায়িত্বশীল, মানবিক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় নিকলী উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে “শান্তি-শৃঙ্খলা এবং সামাজিক সচেতনতায় যুবদের ভূমিকা” শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিকলী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ইরফানুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেহানা মজুমদার মুক্তি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, “আজকের যুব সমাজই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। তারা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়, তাহলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন দ্রুত সম্ভব হবে।” তিনি তরুণদের দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আসিফ ইমতিয়াজ মনির, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জাকির হুসাইন এবং হিসাবরক্ষক আরমান। বক্তারা বলেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, মাদক নির্মূল, সামাজিক অপরাধ দমন এবং নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় যুব সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ইরফানুল হক বলেন, “যুবসমাজকে সুসংগঠিত ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান যদি অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ এলাকায় ছড়িয়ে দিতে পারেন, তাহলে এ আয়োজনের প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল হবে।”
প্রশিক্ষণে নিকলী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত প্রায় শতাধিক যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন সেশনে সামাজিক সচেতনতা, নেতৃত্বের বিকাশ, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম, মাদকবিরোধী আন্দোলন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং অপরাধ প্রতিরোধে যুবসমাজের করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
অংশগ্রহণকারী তরুণ-তরুণীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের ব্যক্তিগত উন্নয়ন, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে তারা নতুন করে অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার এমন উদ্যোগ সময়োপযোগী। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে একটি দায়িত্বশীল, মানবিক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন