বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় দুই দিন ধরে নিখোঁজ থাকা এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে সাঙ্গু নদীর তিন্দুমুখ ও বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকার মাঝামাঝি স্থান থেকে জাওয়াদ-উল ইসলাম মাহিয়ান (২৪)-এর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মাসকান্দা গ্রামের বাসিন্দা এবং হেলাল উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন জানায়, শুক্রবার দুপুরে আলীকদম-থানচি সড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকা হয়ে ১৩ জনের একটি পর্যটক দল তিন্দু বাজারে পৌঁছায়। সেখানে স্থানীয় গাইড গর্জেন ত্রিপুরা তাদের গ্রহণ করেন। পরে বিকেলে তিন্দু ঘাট থেকে দুটি নৌকায় রেমাক্রির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তারা। একটি নৌকায় ছয়জন এবং অন্যটিতে সাতজন পর্যটক ছিলেন।
পথিমধ্যে সাঙ্গু নদীর বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকায় পৌঁছালে প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে সাত আরোহী বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যায়। এ সময় ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও মাহিয়ান নিখোঁজ হন।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিজিবি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা টানা দুই দিন যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালালেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
রোববার সকালে তিন্দুমুখ ও বড় পাথর এলাকার মাঝামাঝি স্থানে মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেন। পরে বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মাহিয়ানের মরদেহ উদ্ধার করেন।
তিন্দু ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মংপ্রু অং মারমা জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়রা নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে বিজিবি সদস্যরা সেটি উদ্ধার করেন।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ফিরে এলে অভিযান এবং পুরো ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় দুই দিন ধরে নিখোঁজ থাকা এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে সাঙ্গু নদীর তিন্দুমুখ ও বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকার মাঝামাঝি স্থান থেকে জাওয়াদ-উল ইসলাম মাহিয়ান (২৪)-এর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মাসকান্দা গ্রামের বাসিন্দা এবং হেলাল উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন জানায়, শুক্রবার দুপুরে আলীকদম-থানচি সড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকা হয়ে ১৩ জনের একটি পর্যটক দল তিন্দু বাজারে পৌঁছায়। সেখানে স্থানীয় গাইড গর্জেন ত্রিপুরা তাদের গ্রহণ করেন। পরে বিকেলে তিন্দু ঘাট থেকে দুটি নৌকায় রেমাক্রির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তারা। একটি নৌকায় ছয়জন এবং অন্যটিতে সাতজন পর্যটক ছিলেন।
পথিমধ্যে সাঙ্গু নদীর বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকায় পৌঁছালে প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে সাত আরোহী বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যায়। এ সময় ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও মাহিয়ান নিখোঁজ হন।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিজিবি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা টানা দুই দিন যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালালেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
রোববার সকালে তিন্দুমুখ ও বড় পাথর এলাকার মাঝামাঝি স্থানে মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেন। পরে বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মাহিয়ানের মরদেহ উদ্ধার করেন।
তিন্দু ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মংপ্রু অং মারমা জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়রা নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে বিজিবি সদস্যরা সেটি উদ্ধার করেন।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ফিরে এলে অভিযান এবং পুরো ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন