শনিবার তৃতীয় দফার বৈঠক শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। সরকার ও ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর মধ্যে চলা আলোচনাতেও এই দাবিকে কেন্দ্র করেই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণে সরকার সম্মত না হলে তারা কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না।
আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবি ছিল, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া। শুক্রবার সরকার শেষের দুটি দাবির বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দিলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
https://x.com/dpradhanbjp/status/2080938216505667663?s=20

পদত্যাগপত্রে যা বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান
এক্সে দেওয়া বার্তায় ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি ও ন্যায্য প্রত্যাশার প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি লেখেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করাই রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের নৈতিক অঙ্গীকার। একই সঙ্গে দেশের সেবার সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।
আরেকটি বার্তায় তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজকে বিভ্রান্তির জালে আটকে পড়তে দেওয়া যাবে না। যন্তর মন্তরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিকে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি যেন কাজে লাগাতে না পারে, দেশের ঐক্য অটুট থাকে এবং কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় না পড়ে, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর প্রকাশের পর যন্তর মন্তরের আন্দোলনস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীরা আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন।
প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি তাদের এক্স পোস্টে লেখে, "ছাত্রশক্তি দীর্ঘজীবী হোক।"
দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ যন্তর মন্তরের মঞ্চ থেকে বলেন, "আমরা সফল হয়েছি।" তিনি আরও দাবি করেন, অনেকেই মনে করতেন এই সরকারের আমলে কোনো মন্ত্রী পদত্যাগ করেন না, কিন্তু ছাত্রদের আন্দোলন সেই ধারণা বদলে দিয়েছে।
গত কয়েক দিনে দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়া এই ছাত্র আন্দোলন জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থনও আন্দোলনের প্রতি সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে তোলে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
শনিবার তৃতীয় দফার বৈঠক শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। সরকার ও ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর মধ্যে চলা আলোচনাতেও এই দাবিকে কেন্দ্র করেই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণে সরকার সম্মত না হলে তারা কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না।
আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবি ছিল, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া। শুক্রবার সরকার শেষের দুটি দাবির বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দিলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
https://x.com/dpradhanbjp/status/2080938216505667663?s=20

পদত্যাগপত্রে যা বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান
এক্সে দেওয়া বার্তায় ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি ও ন্যায্য প্রত্যাশার প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি লেখেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করাই রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের নৈতিক অঙ্গীকার। একই সঙ্গে দেশের সেবার সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।
আরেকটি বার্তায় তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজকে বিভ্রান্তির জালে আটকে পড়তে দেওয়া যাবে না। যন্তর মন্তরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিকে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি যেন কাজে লাগাতে না পারে, দেশের ঐক্য অটুট থাকে এবং কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় না পড়ে, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর প্রকাশের পর যন্তর মন্তরের আন্দোলনস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীরা আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন।
প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি তাদের এক্স পোস্টে লেখে, "ছাত্রশক্তি দীর্ঘজীবী হোক।"
দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ যন্তর মন্তরের মঞ্চ থেকে বলেন, "আমরা সফল হয়েছি।" তিনি আরও দাবি করেন, অনেকেই মনে করতেন এই সরকারের আমলে কোনো মন্ত্রী পদত্যাগ করেন না, কিন্তু ছাত্রদের আন্দোলন সেই ধারণা বদলে দিয়েছে।
গত কয়েক দিনে দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়া এই ছাত্র আন্দোলন জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থনও আন্দোলনের প্রতি সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে তোলে।

আপনার মতামত লিখুন