প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজিপি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি দিল্লির যন্তর মন্তরেও বিজয় উদযাপন করেছেন সংগঠনটির কর্মী-সমর্থকরা।
গত জুন মাস থেকে নেট-ইউজিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে যন্তর মন্তরে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল সিজিপি।
শনিবার (২৫ জুলাই) ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর প্রকাশের পর সিজিপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে হাজারো বিক্ষোভকারী যন্তর মন্তরে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন। এ ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তেলাপোকার শক্তিকে কেউ যেন খাটো করে না দেখে।”
এ সময় তিনি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। পাশাপাশি, গত ২০ জুলাই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, সিজিপির সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের তৃতীয় দফার বৈঠকের আগেই এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জানান, দেশজুড়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির সুযোগ যেন কোনো দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়মের কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে দেওয়া হবে না। শুরু থেকেই তিনি এ ঘটনার নৈতিক দায়িত্ব স্বীকার করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
সূত্র: এনডিটিভি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজিপি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি দিল্লির যন্তর মন্তরেও বিজয় উদযাপন করেছেন সংগঠনটির কর্মী-সমর্থকরা।
গত জুন মাস থেকে নেট-ইউজিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে যন্তর মন্তরে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল সিজিপি।
শনিবার (২৫ জুলাই) ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর প্রকাশের পর সিজিপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে হাজারো বিক্ষোভকারী যন্তর মন্তরে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন। এ ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তেলাপোকার শক্তিকে কেউ যেন খাটো করে না দেখে।”
এ সময় তিনি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। পাশাপাশি, গত ২০ জুলাই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, সিজিপির সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের তৃতীয় দফার বৈঠকের আগেই এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জানান, দেশজুড়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির সুযোগ যেন কোনো দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়মের কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে দেওয়া হবে না। শুরু থেকেই তিনি এ ঘটনার নৈতিক দায়িত্ব স্বীকার করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
সূত্র: এনডিটিভি।

আপনার মতামত লিখুন