প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এই নীতিমালায় শিক্ষক বদলির বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষক বদলি আরও সহজ ও কার্যকর করতে স্থানীয়করণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, আগামী দুই বছরের মধ্যে শিক্ষায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা এবং ২০২৮ সালের শুরুতে পরিমার্জিত নতুন কারিকুলাম উপস্থাপন করা।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু জিপিএ-৫ অর্জনের ওপর নির্ভরশীল মূল্যায়ন থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার প্রকৃত মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
ববি হাজ্জাজ আরও জানান, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রকল্পের ফল ইতিবাচক হলে ২০২৭ সাল থেকে দেশব্যাপী এ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এই নীতিমালায় শিক্ষক বদলির বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষক বদলি আরও সহজ ও কার্যকর করতে স্থানীয়করণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, আগামী দুই বছরের মধ্যে শিক্ষায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা এবং ২০২৮ সালের শুরুতে পরিমার্জিত নতুন কারিকুলাম উপস্থাপন করা।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু জিপিএ-৫ অর্জনের ওপর নির্ভরশীল মূল্যায়ন থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার প্রকৃত মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
ববি হাজ্জাজ আরও জানান, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রকল্পের ফল ইতিবাচক হলে ২০২৭ সাল থেকে দেশব্যাপী এ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন