চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার গুপ্তছড়া ঘাটসংলগ্ন সমুদ্রে ডুবতে থাকা একটি বাল্কহেড থেকে চারজন ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সময়মতো উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করায় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বাল্কহেডটির তলা ফেটে হঠাৎ করে পানি প্রবেশ করতে শুরু করলে সেটি চারজন ক্রুসহ ডুবে যেতে থাকে। বিষয়টি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে জানানো হলে কোস্টগার্ড দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তিনি জানান, বিসিজি স্টেশন সন্দ্বীপ, কুমিরা ঘাটের সার্ভিস বোট এবং গুপ্তছড়া ঘাটে অবস্থানরত বাল্কহেডটির মালিকপক্ষের সদস্যদের সমন্বয়ে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডুবে যাওয়া বাল্কহেড থেকে চারজন ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধারের পর কোস্টগার্ড সদস্যরা আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় খাবারের ব্যবস্থা করেন। পরে তাদের নিরাপদে বাল্কহেডটির মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার গুপ্তছড়া ঘাটসংলগ্ন সমুদ্রে ডুবতে থাকা একটি বাল্কহেড থেকে চারজন ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সময়মতো উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করায় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বাল্কহেডটির তলা ফেটে হঠাৎ করে পানি প্রবেশ করতে শুরু করলে সেটি চারজন ক্রুসহ ডুবে যেতে থাকে। বিষয়টি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে জানানো হলে কোস্টগার্ড দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তিনি জানান, বিসিজি স্টেশন সন্দ্বীপ, কুমিরা ঘাটের সার্ভিস বোট এবং গুপ্তছড়া ঘাটে অবস্থানরত বাল্কহেডটির মালিকপক্ষের সদস্যদের সমন্বয়ে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডুবে যাওয়া বাল্কহেড থেকে চারজন ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধারের পর কোস্টগার্ড সদস্যরা আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় খাবারের ব্যবস্থা করেন। পরে তাদের নিরাপদে বাল্কহেডটির মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন