গোপালগঞ্জে শিক্ষানবীশ নারী আইনজীবি সাবিহা সুলতানার মাথায় ওয়েট পেপার দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক সুজন মিয়া।
আজ বুধবার বেলা ১২টার পর এজলাস চলাকালীন অবস্থায় এ ঘটনা ঘটে।।
গুরুত্বর আহত আইনজীবি সাবিহা সুৃলতানাকে গোপালগঞ্জ মেড়িকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারসহ ওই বিচারককে অপসারনের দাবী জানিয়েছেন জেলা আইনজীবি সমিতি।
ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও ঘটনার সাথে জড়িত গোপালগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক সুজন মিয়াকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান, সিনিয়র আইনজীবি মো, সোলায়মান (বাদল)।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিক্ষানবীস আইনজীবি সাবিহা সুলতানা জানান, বুধবার আনুমানিক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আমি আইনজীবিদের বেন্চে বসে একটি মামলার নথি পড়ছিলাম। হঠাৎ করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক সুজন মিয়া একটি ওয়েট পেপার ছুড়ে মারে। ওয়েট পেপারটি আমার মাথায় লেগে মাথা ফেটে যায়।
কেন এবং কি কারনে আপনার মাথায় ওয়েট পেপার দিয়ে আঘাত করেছেন বিচারক এমন এক প্রশ্নের উত্তরে আইনজীবি সাবিহা সুলতানা জানান, আমার পেছনে আরেকটি বেঞ্চে বেশকিছু বিচার প্রার্থীরা বসে কথা বলায় আদালতের বিচার কাজ হয়তো ব্যহত হচ্ছিল। বেশ কয়েকবার তাদের কথা না বলার জন্য নিষেধ করলেও তারা শোনেননি, তাই তাদের লক্ষ্য করে বিচারক ওয়েট পেপারটা ছেুড়ে মেরেছিল। কিন্ত দুরভাগ্যবসত সেটি আমার মাথায় লেগেছে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিচারক এজলাসে বসে কারোর উপরই ওয়েট পেপারসহ কোন কিছুই ছুড়ে মারতে পারেন না।। বিচারিক কার্যক্রম থেকে উনাকে অব্যাহতি দেয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জে শিক্ষানবীশ নারী আইনজীবি সাবিহা সুলতানার মাথায় ওয়েট পেপার দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক সুজন মিয়া।
আজ বুধবার বেলা ১২টার পর এজলাস চলাকালীন অবস্থায় এ ঘটনা ঘটে।।
গুরুত্বর আহত আইনজীবি সাবিহা সুৃলতানাকে গোপালগঞ্জ মেড়িকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারসহ ওই বিচারককে অপসারনের দাবী জানিয়েছেন জেলা আইনজীবি সমিতি।
ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও ঘটনার সাথে জড়িত গোপালগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক সুজন মিয়াকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান, সিনিয়র আইনজীবি মো, সোলায়মান (বাদল)।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিক্ষানবীস আইনজীবি সাবিহা সুলতানা জানান, বুধবার আনুমানিক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আমি আইনজীবিদের বেন্চে বসে একটি মামলার নথি পড়ছিলাম। হঠাৎ করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক সুজন মিয়া একটি ওয়েট পেপার ছুড়ে মারে। ওয়েট পেপারটি আমার মাথায় লেগে মাথা ফেটে যায়।
কেন এবং কি কারনে আপনার মাথায় ওয়েট পেপার দিয়ে আঘাত করেছেন বিচারক এমন এক প্রশ্নের উত্তরে আইনজীবি সাবিহা সুলতানা জানান, আমার পেছনে আরেকটি বেঞ্চে বেশকিছু বিচার প্রার্থীরা বসে কথা বলায় আদালতের বিচার কাজ হয়তো ব্যহত হচ্ছিল। বেশ কয়েকবার তাদের কথা না বলার জন্য নিষেধ করলেও তারা শোনেননি, তাই তাদের লক্ষ্য করে বিচারক ওয়েট পেপারটা ছেুড়ে মেরেছিল। কিন্ত দুরভাগ্যবসত সেটি আমার মাথায় লেগেছে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিচারক এজলাসে বসে কারোর উপরই ওয়েট পেপারসহ কোন কিছুই ছুড়ে মারতে পারেন না।। বিচারিক কার্যক্রম থেকে উনাকে অব্যাহতি দেয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

আপনার মতামত লিখুন