প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রয়োজন মনে করলে মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের দায়িত্ব পরিবর্তন, দপ্তর পুনর্বণ্টন কিংবা নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তবে সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যেই এমন কোনো রদবদল হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় রয়েছেন ২৪ জন পূর্ণমন্ত্রী, ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টা। প্রচলিত রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টনের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি কার্যকর মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেছেন। দায়িত্ব পালনে কারও কার্যকারিতা নিয়ে যদি তাঁর মনে কোনো প্রশ্ন তৈরি হয়, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী দপ্তর পুনর্বণ্টন বা নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তিনি বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। সে লক্ষ্য পূরণে প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে প্রধানমন্ত্রী তা করতে দ্বিধা করবেন না। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ১৮০ দিনের মধ্যে হবে, নাকি আরও কিছু সময় পরে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, সাইবার বুলিং ও অপতথ্য মোকাবিলায় আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করতে একটি আইনজীবী প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ সময় সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রয়োজন মনে করলে মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের দায়িত্ব পরিবর্তন, দপ্তর পুনর্বণ্টন কিংবা নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তবে সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যেই এমন কোনো রদবদল হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় রয়েছেন ২৪ জন পূর্ণমন্ত্রী, ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টা। প্রচলিত রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টনের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি কার্যকর মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেছেন। দায়িত্ব পালনে কারও কার্যকারিতা নিয়ে যদি তাঁর মনে কোনো প্রশ্ন তৈরি হয়, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী দপ্তর পুনর্বণ্টন বা নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তিনি বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। সে লক্ষ্য পূরণে প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে প্রধানমন্ত্রী তা করতে দ্বিধা করবেন না। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ১৮০ দিনের মধ্যে হবে, নাকি আরও কিছু সময় পরে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, সাইবার বুলিং ও অপতথ্য মোকাবিলায় আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করতে একটি আইনজীবী প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ সময় সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ।

আপনার মতামত লিখুন