গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনঃপেনশন এবং সরকার ঘোষিত বিভিন্ন ভাতা সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতি।
সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি কে এম শহীদুল হক। তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সরকার ঘোষিত পুনঃপেনশন, বাংলা নববর্ষ ভাতা, উৎসব ভাতা ও চিকিৎসা ভাতাসহ সব ধরনের সুবিধা ব্যাংকের কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাপ্য। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এসব সুবিধা থেকে তাদের বঞ্চিত রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১৫ বছর পর পুনঃপেনশন পাওয়ার পাশাপাশি বাংলা নববর্ষ, উৎসব ও চিকিৎসা ভাতারও অধিকারী। দেশের অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে এসব সুবিধা চালু থাকলেও গ্রামীণ ব্যাংকে তা কার্যকর করা হয়নি।
এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত অবসরপ্রাপ্তদের পক্ষে ২০২১ সালে দুটি রিট (নং-৯৫২৬/২০২১ ও ৬৭৬৫/২০২১) দায়ের করা হয়। শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ হাইকোর্ট অবসরপ্রাপ্তদের পক্ষে রায় দেন। চলতি বছরের ২২ জুন প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে গ্রামীণ ব্যাংককে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে সরকার ঘোষিত পুনঃপেনশন ও অন্যান্য সুবিধা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে সংগঠনের অভিযোগ, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের এক মাস পার হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা বাস্তবায়নে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। বরং বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি বিলম্বিত করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ১৯৯৪ সালের তথাকথিত 'স্বেচ্ছা অবসর' সার্কুলারসহ বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১৪ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত বয়সের আগেই অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। ফলে তাদের অনেকেই বর্তমানে আর্থিক অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মধ্যে জীবনযাপন করছেন।
সংগঠনের নেতারা আদালতের রায় মেনে দ্রুত প্রায় ১৪ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বকেয়া পুনঃপেনশন এবং সরকার ঘোষিত সব ভাতা পরিশোধে গ্রামীণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনঃপেনশন এবং সরকার ঘোষিত বিভিন্ন ভাতা সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতি।
সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি কে এম শহীদুল হক। তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সরকার ঘোষিত পুনঃপেনশন, বাংলা নববর্ষ ভাতা, উৎসব ভাতা ও চিকিৎসা ভাতাসহ সব ধরনের সুবিধা ব্যাংকের কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাপ্য। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এসব সুবিধা থেকে তাদের বঞ্চিত রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১৫ বছর পর পুনঃপেনশন পাওয়ার পাশাপাশি বাংলা নববর্ষ, উৎসব ও চিকিৎসা ভাতারও অধিকারী। দেশের অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে এসব সুবিধা চালু থাকলেও গ্রামীণ ব্যাংকে তা কার্যকর করা হয়নি।
এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত অবসরপ্রাপ্তদের পক্ষে ২০২১ সালে দুটি রিট (নং-৯৫২৬/২০২১ ও ৬৭৬৫/২০২১) দায়ের করা হয়। শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ হাইকোর্ট অবসরপ্রাপ্তদের পক্ষে রায় দেন। চলতি বছরের ২২ জুন প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে গ্রামীণ ব্যাংককে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে সরকার ঘোষিত পুনঃপেনশন ও অন্যান্য সুবিধা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে সংগঠনের অভিযোগ, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের এক মাস পার হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা বাস্তবায়নে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। বরং বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি বিলম্বিত করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ১৯৯৪ সালের তথাকথিত 'স্বেচ্ছা অবসর' সার্কুলারসহ বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১৪ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত বয়সের আগেই অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। ফলে তাদের অনেকেই বর্তমানে আর্থিক অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মধ্যে জীবনযাপন করছেন।
সংগঠনের নেতারা আদালতের রায় মেনে দ্রুত প্রায় ১৪ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বকেয়া পুনঃপেনশন এবং সরকার ঘোষিত সব ভাতা পরিশোধে গ্রামীণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন