কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় নৃশংস হামলার শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর সঙ্গী হাদিস। হত্যাকাণ্ডের পরপরই অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৫ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে মিঠামইন সদর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে এস এম জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর সঙ্গী হাদিসের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হামলায় তারা গুরুতর আহত হলে প্রথমে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে এস এম জাহাঙ্গীর আলম মৃত্যুবরণ করেন। আহত হাদিস বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে কঠোর নির্দেশনা দেন। তাঁর সরাসরি তত্ত্বাবধানে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তাৎক্ষণিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে।
দ্রুত অভিযানের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিনজন পেশাদার ভাড়াটে খুনিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় জেলা পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা ঢাকা থেকে ভাড়া করে আনা অপরাধী চক্রের সদস্য।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ১. হেলাল (পিতা: মৃত সুলতান, গ্রাম: চালিতাবুনিয়া, উপজেলা: বামনা, জেলা: বরগুনা) ২. মহিউদ্দিন ৩. জাকির
বর্তমানে তাদের থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, "অপরাধী যেই হোক, কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা উদ্ঘাটনে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।"
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় নৃশংস হামলার শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর সঙ্গী হাদিস। হত্যাকাণ্ডের পরপরই অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৫ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে মিঠামইন সদর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে এস এম জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর সঙ্গী হাদিসের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হামলায় তারা গুরুতর আহত হলে প্রথমে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে এস এম জাহাঙ্গীর আলম মৃত্যুবরণ করেন। আহত হাদিস বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে কঠোর নির্দেশনা দেন। তাঁর সরাসরি তত্ত্বাবধানে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তাৎক্ষণিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে।
দ্রুত অভিযানের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিনজন পেশাদার ভাড়াটে খুনিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় জেলা পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা ঢাকা থেকে ভাড়া করে আনা অপরাধী চক্রের সদস্য।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ১. হেলাল (পিতা: মৃত সুলতান, গ্রাম: চালিতাবুনিয়া, উপজেলা: বামনা, জেলা: বরগুনা) ২. মহিউদ্দিন ৩. জাকির
বর্তমানে তাদের থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, "অপরাধী যেই হোক, কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা উদ্ঘাটনে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।"
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন