গোপালগঞ্জে নিজের বাবাকে বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যার দায়ে ছেলে আলীম কাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আলীম কাজী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৩ মে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরমানিকদাহ কাজীর বাজার এলাকার নিজ বাড়িতে মাদকাসক্ত আলীম কাজী বটি হাতে নিয়ে তার বাবা ইসমাইল কাজীকে গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ইসমাইল কাজী ছেলেকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে আলীম তার হাতে থাকা বটি দিয়ে বাবার গলায় কোপ দেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা ইসমাইল কাজীকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের অপর ছেলে সেলিম কাজী বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলীম কাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট এম. এম. জুলকদর। আসামিপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আবু তালেব শেখ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জে নিজের বাবাকে বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যার দায়ে ছেলে আলীম কাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আলীম কাজী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৩ মে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরমানিকদাহ কাজীর বাজার এলাকার নিজ বাড়িতে মাদকাসক্ত আলীম কাজী বটি হাতে নিয়ে তার বাবা ইসমাইল কাজীকে গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ইসমাইল কাজী ছেলেকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে আলীম তার হাতে থাকা বটি দিয়ে বাবার গলায় কোপ দেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা ইসমাইল কাজীকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের অপর ছেলে সেলিম কাজী বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলীম কাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট এম. এম. জুলকদর। আসামিপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আবু তালেব শেখ।

আপনার মতামত লিখুন