গত সপ্তাহ খানেক ধরে কক্সবাজার জেলা জুড়ে অবিরাম ও মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তীব্র জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে, যার ফলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং দুর্গত এলাকাগুলোতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দেয়। এই মানবিক সংকটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এসেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫।
অতীতের ধারাবাহিকতায় গত ১৩ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ সকাল ১০:৩০ ঘটিকা হতে র্যাব-১৫, সিপিএসসি-এর একটি আভিযানিক ও ত্রাণ বিতরণ টিম জেলার চকরিয়া, পেকুয়ার দূর্গত এলাকার অন্তত ২০০টিরও বেশি পরিবার এবং সদর ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক ও ত্রাণ বিতরণ টিম রামুতে গিয়ে ৫০টি পরিবারে মধ্যে সৌজন্য উপহার সামগ্রী বিতরণ করে।
সৌজন্য উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলাকালীন সংশ্লিষ্ট এলাকাসমূহের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত ছিল। র্যাব-১৫-এর এই মানবিক তউদ্যোগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনগণ গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং র্যাবের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাব অপরাধ দমনের পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে জনগণের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বন্যা পরিস্থিতির ওপর র্যাব-১৫-এর নিবিড়ত নজরদারি রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরণের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানান র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
গত সপ্তাহ খানেক ধরে কক্সবাজার জেলা জুড়ে অবিরাম ও মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তীব্র জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে, যার ফলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং দুর্গত এলাকাগুলোতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দেয়। এই মানবিক সংকটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এসেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫।
অতীতের ধারাবাহিকতায় গত ১৩ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ সকাল ১০:৩০ ঘটিকা হতে র্যাব-১৫, সিপিএসসি-এর একটি আভিযানিক ও ত্রাণ বিতরণ টিম জেলার চকরিয়া, পেকুয়ার দূর্গত এলাকার অন্তত ২০০টিরও বেশি পরিবার এবং সদর ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক ও ত্রাণ বিতরণ টিম রামুতে গিয়ে ৫০টি পরিবারে মধ্যে সৌজন্য উপহার সামগ্রী বিতরণ করে।
সৌজন্য উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলাকালীন সংশ্লিষ্ট এলাকাসমূহের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত ছিল। র্যাব-১৫-এর এই মানবিক তউদ্যোগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনগণ গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং র্যাবের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাব অপরাধ দমনের পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে জনগণের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বন্যা পরিস্থিতির ওপর র্যাব-১৫-এর নিবিড়ত নজরদারি রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরণের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানান র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫।

আপনার মতামত লিখুন