নারায়ণগঞ্জের আলোচিত দুটি ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। পৃথক দুটি অভিযানে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের দুই সর্দারসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত প্রায় সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, বিভিন্ন ব্যাগ এবং একটি শটগান উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ৮ জুলাই সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক জাপানপ্রবাসী, তাঁর স্ত্রী ও সন্তান সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হামলার শিকার হন। ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে তাঁদের জিম্মি ও মারধর করে ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি আইফোন-১৬ প্রো ম্যাক্স ও নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নেয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে সোনারগাঁ থানা পুলিশ চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ এলাকা থেকে ডাকাত দলের সর্দার কবির হোসেনসহ চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোনারগাঁয়ের মাগুড়া প্লট এলাকার ঝোপঝাড় থেকে লুণ্ঠিত মালামালের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। এ মামলার পলাতক অপর এক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে গত ২ জুলাই বন্দরের ১১০ কেভি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় ডিউটিরত আনসার সদস্যদের দুটি শটগান লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযান চালিয়ে রূপগঞ্জ থেকে ডাকাত দলের সর্দার ফারুক হোসেন ওরফে ‘আইস ফারুক’কে গ্রেপ্তার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি ও দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুট হওয়া শটগানগুলোর মধ্যে একটি শটগান উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা পেশাদার ডাকাত। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, দস্যুতা ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজন ইতিমধ্যেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং বাকিদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত দুটি ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। পৃথক দুটি অভিযানে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের দুই সর্দারসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত প্রায় সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, বিভিন্ন ব্যাগ এবং একটি শটগান উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ৮ জুলাই সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক জাপানপ্রবাসী, তাঁর স্ত্রী ও সন্তান সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হামলার শিকার হন। ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে তাঁদের জিম্মি ও মারধর করে ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি আইফোন-১৬ প্রো ম্যাক্স ও নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নেয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে সোনারগাঁ থানা পুলিশ চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ এলাকা থেকে ডাকাত দলের সর্দার কবির হোসেনসহ চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোনারগাঁয়ের মাগুড়া প্লট এলাকার ঝোপঝাড় থেকে লুণ্ঠিত মালামালের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। এ মামলার পলাতক অপর এক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে গত ২ জুলাই বন্দরের ১১০ কেভি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় ডিউটিরত আনসার সদস্যদের দুটি শটগান লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযান চালিয়ে রূপগঞ্জ থেকে ডাকাত দলের সর্দার ফারুক হোসেন ওরফে ‘আইস ফারুক’কে গ্রেপ্তার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি ও দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুট হওয়া শটগানগুলোর মধ্যে একটি শটগান উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা পেশাদার ডাকাত। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, দস্যুতা ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজন ইতিমধ্যেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং বাকিদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন