বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে পুনঃখননকৃত বাটাজোর-শরিকল খালের পাশে নারিকেল গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার মানুষের পক্ষ থেকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি নিমগাছের চারা তুলে দেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি সবাইকে এ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। প্রতিটি চারার নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। গাছ বড় হলে মানুষ বিশুদ্ধ অক্সিজেন, ছায়া ও একটি সুস্থ পরিবেশ পাবে। তাই দেশকে সবুজ ও বাসযোগ্য রাখতে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, যেখানে-সেখানে প্লাস্টিক ও ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলতে হবে। দেশের মালিক জনগণ, তাই দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও সবার।
অনুষ্ঠানস্থলের পাশের একটি খালে পড়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতলের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের বর্জ্যের কারণে খাল-বিল ভরাট হয়ে পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। বাজার, ঘাট ও জনসমাগমস্থলে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। সবাই সচেতন হলে জলাবদ্ধতা ও বন্যাজনিত ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুজ্জামান।
গাছের চারা রোপণ শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার আলম বিপ্লব।
এর আগে সকাল থেকেই গৌরনদী উপজেলার ভূরঘাটা, ইল্লা, বার্থী, কটকস্থল, টরকী, গৌরনদী, আশোকাঠি, কাছেমাবাদ, মাহিলাড়া ও বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষ গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন।
সকাল ১০টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর গৌরনদীর সীমান্তবর্তী ভূরঘাটা এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার দুই পাশে অপেক্ষমাণ মানুষ হাত নেড়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান। সেখান থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির স্থান পর্যন্ত গাড়িবহর ধীরগতিতে অগ্রসর হয় এবং প্রধানমন্ত্রীও উপস্থিত জনতাকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে পুনঃখননকৃত বাটাজোর-শরিকল খালের পাশে নারিকেল গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার মানুষের পক্ষ থেকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি নিমগাছের চারা তুলে দেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি সবাইকে এ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। প্রতিটি চারার নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। গাছ বড় হলে মানুষ বিশুদ্ধ অক্সিজেন, ছায়া ও একটি সুস্থ পরিবেশ পাবে। তাই দেশকে সবুজ ও বাসযোগ্য রাখতে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, যেখানে-সেখানে প্লাস্টিক ও ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলতে হবে। দেশের মালিক জনগণ, তাই দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও সবার।
অনুষ্ঠানস্থলের পাশের একটি খালে পড়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতলের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের বর্জ্যের কারণে খাল-বিল ভরাট হয়ে পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। বাজার, ঘাট ও জনসমাগমস্থলে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। সবাই সচেতন হলে জলাবদ্ধতা ও বন্যাজনিত ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুজ্জামান।
গাছের চারা রোপণ শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার আলম বিপ্লব।
এর আগে সকাল থেকেই গৌরনদী উপজেলার ভূরঘাটা, ইল্লা, বার্থী, কটকস্থল, টরকী, গৌরনদী, আশোকাঠি, কাছেমাবাদ, মাহিলাড়া ও বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষ গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন।
সকাল ১০টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর গৌরনদীর সীমান্তবর্তী ভূরঘাটা এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার দুই পাশে অপেক্ষমাণ মানুষ হাত নেড়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান। সেখান থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির স্থান পর্যন্ত গাড়িবহর ধীরগতিতে অগ্রসর হয় এবং প্রধানমন্ত্রীও উপস্থিত জনতাকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

আপনার মতামত লিখুন