কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)। রোববার (১২ জুলাই) হোয়াইক্যং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কোনাপাড়া গ্রামে এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামু সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সীমান্ত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের আস্থা অর্জনে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এই ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) জানায়, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনপদের মানুষের প্রয়োজনের সময় মানবিক সহায়তা প্রদানেও তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। বাহিনীটি সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)। রোববার (১২ জুলাই) হোয়াইক্যং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কোনাপাড়া গ্রামে এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামু সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সীমান্ত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের আস্থা অর্জনে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এই ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) জানায়, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনপদের মানুষের প্রয়োজনের সময় মানবিক সহায়তা প্রদানেও তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। বাহিনীটি সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন