দিনাজপুরের বিরামপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে সাংবাদিক মোঃ রাবিব আল আমিন (বর্ষণ)-এর ওপর হামলার অভিযোগে সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক বিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণের পর ঘটনাটি মেডিকেল পুলিশ কেস হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে সাংবাদিক রাবিব আল আমিন (বর্ষণ) দাবি করেন, ১০ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ১২টার দিকে বিরামপুর ঢাকা মোড়ের নাহিদ টাওয়ারের সামনে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। আমি বিবাদী গনের মারপিট বাধা নিষেধ করিলে সকল বিবাদী গন আমাকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করিতে থাকে।বলে আমার শরীরে বিভিন্ন স্হানে ছেলা ফুলা যখমের সৃষ্টি হয়। বিবাদীগনের মারপিটের সময় ১ নং বিবাদীসহ অজ্ঞতা নামা২/৩জন আমার প্যান্টের পকেট থাকা নগদ ৪৫৮০০/-টাকা জোরপূর্বক ছিনায়া নেই। উক্ত সময় সকল বিপদেগণের সহায়তায় কৌশলে ও দুই নম্বর চোর ফিরোজ, মোঃ জাকির হাসানকে কিল ঘুষি দিয়ে মোটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে নিয়ে চুরি করে অজ্ঞাত স্থানেপালাইয়া যায়। থানায় অভিযোগে
১।মোঃ জহুরুল ইসলাম (৫৮)
পিতা মৃত ইসমাইল হোসেন। শিমুলতলী, বিরামপুর, দিনাজপুর।
২।মোঃ ফিরোজ (২০)
পিতা মোঃ আব্দুল বারী
সাং:-তেতুল ডাঙ্গা, থানা:-ফুলবাড়ী দিনাজপুর। অভিযুক্ত করা হয়েছে। হামলার সময় তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এই দুই ব্যক্তি যোগ সাযসে একটি মোটরসাইকেল চুরি করে। গাড়িটির মালিক মোঃ জাকির হাসান,থানায় জিডি করা হয়েছে ১৪/০৬/২০২৬ইং তারিখে। Hero Brand, Hero Hf-Delux. যাহার চ্যাচিস নম্বর ps-1h-ar-26-4h-jg-01-11-2 ও ইঞ্জিন নম্বর :- ha-11-ej-h9-e0-28-44 রেজিসটেশন নম্বর:- Dinajpur-HA - 17-1714
পরে আহত অবস্থায় তাকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং "History of Physical Assault" উল্লেখ করে ঘটনাটি মেডিকেল পুলিশ কেস হিসেবে নথিভুক্ত করেন।
এ ঘটনায় বিরামপুরসহ জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকের গায়ে হাত তোলা মানে শুধু একজন ব্যক্তিকে আঘাত করা নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের তথ্য জানার অধিকারের ওপর আঘাত হানা। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের বিরামপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে সাংবাদিক মোঃ রাবিব আল আমিন (বর্ষণ)-এর ওপর হামলার অভিযোগে সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক বিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণের পর ঘটনাটি মেডিকেল পুলিশ কেস হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে সাংবাদিক রাবিব আল আমিন (বর্ষণ) দাবি করেন, ১০ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ১২টার দিকে বিরামপুর ঢাকা মোড়ের নাহিদ টাওয়ারের সামনে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। আমি বিবাদী গনের মারপিট বাধা নিষেধ করিলে সকল বিবাদী গন আমাকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করিতে থাকে।বলে আমার শরীরে বিভিন্ন স্হানে ছেলা ফুলা যখমের সৃষ্টি হয়। বিবাদীগনের মারপিটের সময় ১ নং বিবাদীসহ অজ্ঞতা নামা২/৩জন আমার প্যান্টের পকেট থাকা নগদ ৪৫৮০০/-টাকা জোরপূর্বক ছিনায়া নেই। উক্ত সময় সকল বিপদেগণের সহায়তায় কৌশলে ও দুই নম্বর চোর ফিরোজ, মোঃ জাকির হাসানকে কিল ঘুষি দিয়ে মোটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে নিয়ে চুরি করে অজ্ঞাত স্থানেপালাইয়া যায়। থানায় অভিযোগে
১।মোঃ জহুরুল ইসলাম (৫৮)
পিতা মৃত ইসমাইল হোসেন। শিমুলতলী, বিরামপুর, দিনাজপুর।
২।মোঃ ফিরোজ (২০)
পিতা মোঃ আব্দুল বারী
সাং:-তেতুল ডাঙ্গা, থানা:-ফুলবাড়ী দিনাজপুর। অভিযুক্ত করা হয়েছে। হামলার সময় তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এই দুই ব্যক্তি যোগ সাযসে একটি মোটরসাইকেল চুরি করে। গাড়িটির মালিক মোঃ জাকির হাসান,থানায় জিডি করা হয়েছে ১৪/০৬/২০২৬ইং তারিখে। Hero Brand, Hero Hf-Delux. যাহার চ্যাচিস নম্বর ps-1h-ar-26-4h-jg-01-11-2 ও ইঞ্জিন নম্বর :- ha-11-ej-h9-e0-28-44 রেজিসটেশন নম্বর:- Dinajpur-HA - 17-1714
পরে আহত অবস্থায় তাকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং "History of Physical Assault" উল্লেখ করে ঘটনাটি মেডিকেল পুলিশ কেস হিসেবে নথিভুক্ত করেন।
এ ঘটনায় বিরামপুরসহ জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকের গায়ে হাত তোলা মানে শুধু একজন ব্যক্তিকে আঘাত করা নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের তথ্য জানার অধিকারের ওপর আঘাত হানা। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন