ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

২০২৭-এর নতুন চার পাঠ্যবইয়ে তারেক রহমানের শিক্ষা-ভাবনা প্রতিফলিত হবে: ড. মাহদী আমিন


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬

২০২৭-এর নতুন চার পাঠ্যবইয়ে তারেক রহমানের শিক্ষা-ভাবনা প্রতিফলিত হবে: ড. মাহদী আমিন
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রণয়নাধীন চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা-সংক্রান্ত রূপকল্প, চিন্তা, অভিজ্ঞতা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতিফলন থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালা’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

ড. মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচনী ইশতেহারেও তাঁর শিক্ষা-সংক্রান্ত পরিকল্পনার প্রতিফলন রয়েছে। সেই নির্দেশনার আলোকে নতুন পাঠ্যবই প্রস্তুত করা হচ্ছে।

তিনি জানান, নতুন বইগুলোর মধ্যে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা)’, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক বইগুলোকে প্রচলিত পাঠ্যবইয়ের তুলনায় আরও আধুনিক, সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কাছে বইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বইয়ে শুধু লেখানির্ভর উপস্থাপনার পরিবর্তে ছবি, টেবিল, ডায়াগ্রাম ও অন্যান্য ভিজ্যুয়াল উপাদান যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি বইয়ের শুরুতে একটি বিস্তারিত ভূমিকা এবং এর দার্শনিক ভিত্তি ও বাস্তব প্রয়োগ তুলে ধরারও পরামর্শ দেন।

কারিগরি শিক্ষার প্রসঙ্গে ড. মাহদী আমিন বলেন, সমাজে বিদ্যমান নেতিবাচক ধারণা দূর করতে হবে। তাঁর মতে, শুধু কারিগরি শিক্ষার্থীরাই নয়, বিজ্ঞান বিভাগসহ সব শিক্ষার্থীরই মৌলিক কারিগরি দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিটি স্কুলে ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে উদ্বুদ্ধমূলক অধ্যায় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাস উপস্থাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, ইতিহাসকে নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিকভাবে তুলে ধরা হবে। অতীতে পাঠ্যবইয়ে থাকা ভুল ও বিকৃত তথ্য সংশোধন করা হবে এবং ইতিহাসের সত্যনিষ্ঠ উপস্থাপন নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের প্রথম দিনেই বই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, বই বিতরণে প্রায় এক মাস সময় প্রয়োজন হয়। তাই আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝির মধ্যে প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই মুদ্রণ ও প্রকাশের কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনসিটিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং দেশের শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


২০২৭-এর নতুন চার পাঠ্যবইয়ে তারেক রহমানের শিক্ষা-ভাবনা প্রতিফলিত হবে: ড. মাহদী আমিন

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রণয়নাধীন চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা-সংক্রান্ত রূপকল্প, চিন্তা, অভিজ্ঞতা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতিফলন থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালা’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

ড. মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচনী ইশতেহারেও তাঁর শিক্ষা-সংক্রান্ত পরিকল্পনার প্রতিফলন রয়েছে। সেই নির্দেশনার আলোকে নতুন পাঠ্যবই প্রস্তুত করা হচ্ছে।

তিনি জানান, নতুন বইগুলোর মধ্যে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা)’, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক বইগুলোকে প্রচলিত পাঠ্যবইয়ের তুলনায় আরও আধুনিক, সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কাছে বইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বইয়ে শুধু লেখানির্ভর উপস্থাপনার পরিবর্তে ছবি, টেবিল, ডায়াগ্রাম ও অন্যান্য ভিজ্যুয়াল উপাদান যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি বইয়ের শুরুতে একটি বিস্তারিত ভূমিকা এবং এর দার্শনিক ভিত্তি ও বাস্তব প্রয়োগ তুলে ধরারও পরামর্শ দেন।

কারিগরি শিক্ষার প্রসঙ্গে ড. মাহদী আমিন বলেন, সমাজে বিদ্যমান নেতিবাচক ধারণা দূর করতে হবে। তাঁর মতে, শুধু কারিগরি শিক্ষার্থীরাই নয়, বিজ্ঞান বিভাগসহ সব শিক্ষার্থীরই মৌলিক কারিগরি দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিটি স্কুলে ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে উদ্বুদ্ধমূলক অধ্যায় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাস উপস্থাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, ইতিহাসকে নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিকভাবে তুলে ধরা হবে। অতীতে পাঠ্যবইয়ে থাকা ভুল ও বিকৃত তথ্য সংশোধন করা হবে এবং ইতিহাসের সত্যনিষ্ঠ উপস্থাপন নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের প্রথম দিনেই বই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, বই বিতরণে প্রায় এক মাস সময় প্রয়োজন হয়। তাই আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝির মধ্যে প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই মুদ্রণ ও প্রকাশের কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনসিটিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং দেশের শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ