চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১১ জুলাই) ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপির নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে উপজেলার মেখল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নৌকাযোগে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এদিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেওয়া হয়। পাশাপাশি দুর্গত পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
পরিদর্শনকালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা মদুনাঘাট স্লুইসগেটের বর্তমান পরিস্থিতিও পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়, যাতে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।
এর আগে, টানা বর্ষণ, জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় গত ৭ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ, জরুরি তথ্য আদান-প্রদান এবং ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১১ জুলাই) ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপির নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে উপজেলার মেখল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নৌকাযোগে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এদিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেওয়া হয়। পাশাপাশি দুর্গত পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
পরিদর্শনকালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা মদুনাঘাট স্লুইসগেটের বর্তমান পরিস্থিতিও পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়, যাতে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।
এর আগে, টানা বর্ষণ, জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় গত ৭ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ, জরুরি তথ্য আদান-প্রদান এবং ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন