সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ভাষা আন্দোলনের সৈনিক এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (১২ জুলাই) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির একজন প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞ, সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, প্রজ্ঞা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষামন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও তিনি দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছেন। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, সংসদীয় সংস্কৃতির বিকাশ এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র পরিচালনায় তার অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জমির উদ্দিন সরকার আজীবন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আদর্শে অবিচল ছিলেন। দলের দীর্ঘ সংগ্রাম ও প্রতিকূল সময়েও তিনি কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্যেও নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তার সঙ্গে তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সমুন্নত রেখেছেন।
শোকবার্তায় গত ১৭ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে মরহুমের ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের অবদান বিএনপির ইতিহাসে যেমন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, তেমনি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাতেও তা একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংসদীয় ব্যক্তিত্ব এবং সত্যিকারের দেশপ্রেমিককে হারাল। তার আদর্শ, সততা, প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন আগামী প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহর কাছে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার প্রার্থনা জানান। একই সঙ্গে তিনি মরহুমের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ভাষা আন্দোলনের সৈনিক এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (১২ জুলাই) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির একজন প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞ, সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, প্রজ্ঞা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষামন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও তিনি দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছেন। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, সংসদীয় সংস্কৃতির বিকাশ এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র পরিচালনায় তার অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জমির উদ্দিন সরকার আজীবন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আদর্শে অবিচল ছিলেন। দলের দীর্ঘ সংগ্রাম ও প্রতিকূল সময়েও তিনি কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্যেও নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তার সঙ্গে তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সমুন্নত রেখেছেন।
শোকবার্তায় গত ১৭ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে মরহুমের ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের অবদান বিএনপির ইতিহাসে যেমন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, তেমনি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাতেও তা একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংসদীয় ব্যক্তিত্ব এবং সত্যিকারের দেশপ্রেমিককে হারাল। তার আদর্শ, সততা, প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন আগামী প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহর কাছে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার প্রার্থনা জানান। একই সঙ্গে তিনি মরহুমের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন