ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সবচেয়ে বড় ময়লার ভাগাড় মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে জ্বলতে থাকা আগুন এবং এর থেকে সৃষ্ট বিষাক্ত ধোঁয়ার তীব্র বায়ু দূষণের প্রেক্ষিতে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট রুল জারি করেছেন।
বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা অনুযায়ী উন্মুক্ত স্থানে ময়লা ফেলা এবং ময়লা পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। রাষ্ট্র যেখানে জনগণের জীবনের নিরাপত্তা ও দূষণ রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখার কথা, সেখানে খোদ সিটি করপোরেশনের প্রকল্পই আজ দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই জনদুর্ভোগ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রতিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী এবং ‘কৃষি ও পরিবেশ ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট মোকাদ্দমা দায়ের করেন।
আজ ০৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ফাতেমা নজীবের দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উপর এই রুল (Rule Nisi) জারি করেন এবং ব্যবস্থা নিতে ডি এনসিসিতে দাখিলকৃত রিটকারীর আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রদান করেন।
রুলটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে—
“মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল সম্প্রসারণ প্রকল্পে বর্জ্য পোড়ানোর মাধ্যমে সৃষ্ট বিষাক্ত ধোঁয়া এবং বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা বা নিষ্ক্রিয়তাকে কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না? আইন প্রয়োগ ও প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিবাদীদের এই আচরণকে কেন বেআইনি, অবহেলা, পেশাগত অসদাচরণ এবং জনস্বার্থ পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না?”
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে, কেবল প্রথাগতভাবে ময়লা জমিয়ে রাখলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ও পরিবেশ বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব নয়। ঢাকা শহরের এই ক্রমবর্ধমান বর্জ্য সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে বর্জ্য পুনর্ব্যবহার (Recycling), উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ (Source Segregation) এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Scientific Waste Management) নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
মহামান্য আদালতের এই রুল জারির মাধ্যমে স্থানীয় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের আইনি অধিকার সুরক্ষিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত মাতুয়াইলের আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণসহ ঢাকা শহরের সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় টেকসই ও আধুনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
মহামান্য হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ অবসানের পর গত ০৭ জুলাই ঢাকার জেলা প্রশাসকের শিক্ষা শাখার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সামছুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডি নির্বাচন ২০২৬-এর প্রিজাইডিং অফিসার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা ২০২৪-এর ২২(২) অনুযায়ী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
দেশের আঠারো হাজার শিক্ষার্থীর সামছুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচনের মনোনয়নপত্র ০৯ জুলাই ২০২৬ থেকে ১৩ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত উত্তোলন ও জমা প্রদান করা যাবে। আগামী ১৪ জুলাই বাছাই এবং ১৫ জুলাই প্রত্যাহারের শেষ দিন। আগামী ২৫ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বিগত নভেম্বর ২০২৫ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মনোনয়নপত্র বিতরণ সম্পন্ন হলে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের আদেশে নির্বাচন স্থগিত থাকার পর স্থগিতাদেশ অবসানের পর পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হয়।
আজ নির্বাচনের অভিভাবক প্রতিনিধি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদ পুনরায় প্রার্থিতার জন্য অভিভাবকদের নিয়ে দ্বিতীয়বার মনোনয়নপত্র উত্তোলন করে জমা দেন। আগামী ১৪ জুলাই ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন বাছাইয়ের ফলাফল শেষে আগামী ২৫ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
শিক্ষা ও প্রশাসনিক উন্নয়নে এই প্রার্থী বিগত ১০ জুন ও ২৫ জুন গবেষণাধর্মী আবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ০৬ জুলাই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সিসিটিভি মনিটরিংয়ের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই আইনজীবী প্রার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় দক্ষতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সবচেয়ে বড় ময়লার ভাগাড় মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে জ্বলতে থাকা আগুন এবং এর থেকে সৃষ্ট বিষাক্ত ধোঁয়ার তীব্র বায়ু দূষণের প্রেক্ষিতে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট রুল জারি করেছেন।
বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা অনুযায়ী উন্মুক্ত স্থানে ময়লা ফেলা এবং ময়লা পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। রাষ্ট্র যেখানে জনগণের জীবনের নিরাপত্তা ও দূষণ রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখার কথা, সেখানে খোদ সিটি করপোরেশনের প্রকল্পই আজ দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই জনদুর্ভোগ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রতিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী এবং ‘কৃষি ও পরিবেশ ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট মোকাদ্দমা দায়ের করেন।
আজ ০৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ফাতেমা নজীবের দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উপর এই রুল (Rule Nisi) জারি করেন এবং ব্যবস্থা নিতে ডি এনসিসিতে দাখিলকৃত রিটকারীর আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রদান করেন।
রুলটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে—
“মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল সম্প্রসারণ প্রকল্পে বর্জ্য পোড়ানোর মাধ্যমে সৃষ্ট বিষাক্ত ধোঁয়া এবং বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা বা নিষ্ক্রিয়তাকে কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না? আইন প্রয়োগ ও প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিবাদীদের এই আচরণকে কেন বেআইনি, অবহেলা, পেশাগত অসদাচরণ এবং জনস্বার্থ পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না?”
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে, কেবল প্রথাগতভাবে ময়লা জমিয়ে রাখলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ও পরিবেশ বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব নয়। ঢাকা শহরের এই ক্রমবর্ধমান বর্জ্য সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে বর্জ্য পুনর্ব্যবহার (Recycling), উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ (Source Segregation) এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Scientific Waste Management) নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
মহামান্য আদালতের এই রুল জারির মাধ্যমে স্থানীয় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের আইনি অধিকার সুরক্ষিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত মাতুয়াইলের আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণসহ ঢাকা শহরের সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় টেকসই ও আধুনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
মহামান্য হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ অবসানের পর গত ০৭ জুলাই ঢাকার জেলা প্রশাসকের শিক্ষা শাখার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সামছুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডি নির্বাচন ২০২৬-এর প্রিজাইডিং অফিসার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা ২০২৪-এর ২২(২) অনুযায়ী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
দেশের আঠারো হাজার শিক্ষার্থীর সামছুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচনের মনোনয়নপত্র ০৯ জুলাই ২০২৬ থেকে ১৩ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত উত্তোলন ও জমা প্রদান করা যাবে। আগামী ১৪ জুলাই বাছাই এবং ১৫ জুলাই প্রত্যাহারের শেষ দিন। আগামী ২৫ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বিগত নভেম্বর ২০২৫ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মনোনয়নপত্র বিতরণ সম্পন্ন হলে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের আদেশে নির্বাচন স্থগিত থাকার পর স্থগিতাদেশ অবসানের পর পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হয়।
আজ নির্বাচনের অভিভাবক প্রতিনিধি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদ পুনরায় প্রার্থিতার জন্য অভিভাবকদের নিয়ে দ্বিতীয়বার মনোনয়নপত্র উত্তোলন করে জমা দেন। আগামী ১৪ জুলাই ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন বাছাইয়ের ফলাফল শেষে আগামী ২৫ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
শিক্ষা ও প্রশাসনিক উন্নয়নে এই প্রার্থী বিগত ১০ জুন ও ২৫ জুন গবেষণাধর্মী আবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ০৬ জুলাই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সিসিটিভি মনিটরিংয়ের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই আইনজীবী প্রার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় দক্ষতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান।

আপনার মতামত লিখুন