মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না ইতালি। বুধবার (স্থানীয় সময়) আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এ অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
মেলোনি বলেন, ইরানকে ঘিরে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই ইতালির অবস্থান স্পষ্ট। তিনি বলেন, "ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় ইতালি অংশ নেবে না। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান শুরু থেকেই পরিষ্কার।"
ইতালির এই অবস্থান নতুন নয়। চলতি বছরের মার্চে মধ্যপ্রাচ্যমুখী একটি মার্কিন সামরিক বিমানকে সিসিলির সিগোনেলা বিমানঘাঁটিতে অবতরণের অনুমতি দেয়নি রোম। ওই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি সামরিক সম্পৃক্ততা এড়িয়ে চলার নীতিই স্পষ্ট করেছিল ইতালি।
ন্যাটো সম্মেলন শেষে সাংবাদিকরা মেলোনির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিশেষ করে ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে তার রাজনৈতিক বিনিয়োগ নিয়ে কোনো অনুশোচনা আছে কি না, জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী বলেন, "না, আমি যা করেছি, তা নিয়ে আমার কোনো অনুশোচনা নেই।"
উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে ট্রাম্প প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মেলোনির সমালোচনা করেন। এর আগে পোপ লিও চতুর্দশ–কে নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের সমালোচনা করেছিলেন মেলোনি। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ নিয়ে পোপের অবস্থানকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না ইতালি। বুধবার (স্থানীয় সময়) আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এ অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
মেলোনি বলেন, ইরানকে ঘিরে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই ইতালির অবস্থান স্পষ্ট। তিনি বলেন, "ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় ইতালি অংশ নেবে না। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান শুরু থেকেই পরিষ্কার।"
ইতালির এই অবস্থান নতুন নয়। চলতি বছরের মার্চে মধ্যপ্রাচ্যমুখী একটি মার্কিন সামরিক বিমানকে সিসিলির সিগোনেলা বিমানঘাঁটিতে অবতরণের অনুমতি দেয়নি রোম। ওই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি সামরিক সম্পৃক্ততা এড়িয়ে চলার নীতিই স্পষ্ট করেছিল ইতালি।
ন্যাটো সম্মেলন শেষে সাংবাদিকরা মেলোনির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিশেষ করে ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে তার রাজনৈতিক বিনিয়োগ নিয়ে কোনো অনুশোচনা আছে কি না, জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী বলেন, "না, আমি যা করেছি, তা নিয়ে আমার কোনো অনুশোচনা নেই।"
উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে ট্রাম্প প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মেলোনির সমালোচনা করেন। এর আগে পোপ লিও চতুর্দশ–কে নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের সমালোচনা করেছিলেন মেলোনি। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ নিয়ে পোপের অবস্থানকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসে।

আপনার মতামত লিখুন